Dhaka ০৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অভিজাত এলাকার অধিকাংশ পয়ঃবর্জ্য পড়ছে লেকে পশ্চিমবঙ্গ বিধাসভা নির্বাচন : চলছে দ্বিতীয় ও শেষ দফার ভোটগ্রহণ বিশ্বকাপ শেষেই একসঙ্গে অবসরে যাবেন নিউজিল্যান্ডের ৩ তারকা ইরান যুদ্ধ : যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দাম চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ চাঁদপুর ও নীলফামারীতে মেডিকেল কলেজ-হাসপাতাল নির্মাণে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে দুই বাংলাদেশি হত্যা: হিশামের বিষয়ে পুলিশকে আগেই সতর্ক করেছিল পরিবার ট্রেনের নিচে ঝাঁপিয়ে পড়ে ২ বছরের শিশুকে বাঁচালেন বাবা আর হামলা নয়, ইরানের ওপর দীর্ঘমেয়াদী নৌ-অবরোধের প্রস্তুতি নিচ্ছেন ট্রাম্প মূত্রনালীতে পাথর কেন হয় জ্বালানি সংকটে ভরসা সোলার পাম্প

চাঁদপুর ও নীলফামারীতে মেডিকেল কলেজ-হাসপাতাল নির্মাণে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে

12 / 100 SEO Score

 

চাঁদপুর ও নীলফামারীতে মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল নির্মাণের বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে মো. হাফিজ ইব্রাহিমের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

তারেক রহমান বলেন, বর্তমান সরকার দেশের ভূমিহীন, গৃহহীন, ছিন্নমূল ও অসহায় পরিবারের জন্য টেকসই বাসস্থান এবং তাদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত করার বদ্ধপরিকর। এর আগে ২০০১ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আওতায় ‘আবাসন প্রকল্প’ গ্রহণ করা হয়। প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য ছিল সমগ্র বাংলাদেশে ভূমিহীন, গৃহহীন, ছিন্নমূল ও দুর্দশাগ্রস্ত পরিবারকে পুনর্বাসন করা। ২০০১-২০০৬ সাল পর্যন্ত সময়ে ৬৫ হাজার পরিবারকে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়।

তিনি বলেন, ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীনে ভূমিহীন, গৃহহীন, ঠিকানাহীন এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও নদীভাঙনের ফলে দুর্গত পরিবারকে পুনর্বাসনের জন্য বর্তমানে ‘গুচ্ছগ্রাম-৩ পর্যায় প্রকল্প’ গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ দেশের জেলা/উপজেলা পর্যায়ে স্বল্প ও মধ্যম আয়ের মানুষদের জন্য সুপরিকল্পিত আবাসন সুবিধা সম্প্রসারণ ও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য সাশ্রয়ী বাসস্থান নির্মাণ প্রকল্প গ্রহণ করে থাকে।

সংসদ সদস্য মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলের টেবিল উপস্থাপিত এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে সারা দেশে মোট ৩৭টি সরকারি মেডিকেল কলেজ রয়েছে। তার মধ্যে ২৩টি মেডিকেল কলেজে ৫০০ শয্যা ও তদূর্ধ্ব হাসপাতালের কার্যক্রম চলমান আছে। বর্তমানে ৮টি মেডিকেল কলেজের (যশোর, পাবনা, কক্সবাজার, নোয়াখালী, রাঙামাটি, সুনামগঞ্জ, পটুয়াখালি ও জামালপুর) সঙ্গে ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। এছাড়া মাগুরা, হবিগঞ্জ, নেত্রকোণা এবং নওগাঁ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল নির্মাণের লক্ষ্যে ডিপিপি প্রণয়নের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে; বাকি ২টি (চাঁদপুর ও নীলফামারী) মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল নির্মাণের বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে।

 

Tag :

Recent Comments

No comments to show.

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

চাঁদপুর ও নীলফামারীতে মেডিকেল কলেজ-হাসপাতাল নির্মাণে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে

Update Time : ০৬:৩৯:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
12 / 100 SEO Score

 

চাঁদপুর ও নীলফামারীতে মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল নির্মাণের বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে মো. হাফিজ ইব্রাহিমের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

তারেক রহমান বলেন, বর্তমান সরকার দেশের ভূমিহীন, গৃহহীন, ছিন্নমূল ও অসহায় পরিবারের জন্য টেকসই বাসস্থান এবং তাদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত করার বদ্ধপরিকর। এর আগে ২০০১ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আওতায় ‘আবাসন প্রকল্প’ গ্রহণ করা হয়। প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য ছিল সমগ্র বাংলাদেশে ভূমিহীন, গৃহহীন, ছিন্নমূল ও দুর্দশাগ্রস্ত পরিবারকে পুনর্বাসন করা। ২০০১-২০০৬ সাল পর্যন্ত সময়ে ৬৫ হাজার পরিবারকে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়।

তিনি বলেন, ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীনে ভূমিহীন, গৃহহীন, ঠিকানাহীন এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও নদীভাঙনের ফলে দুর্গত পরিবারকে পুনর্বাসনের জন্য বর্তমানে ‘গুচ্ছগ্রাম-৩ পর্যায় প্রকল্প’ গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ দেশের জেলা/উপজেলা পর্যায়ে স্বল্প ও মধ্যম আয়ের মানুষদের জন্য সুপরিকল্পিত আবাসন সুবিধা সম্প্রসারণ ও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য সাশ্রয়ী বাসস্থান নির্মাণ প্রকল্প গ্রহণ করে থাকে।

সংসদ সদস্য মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলের টেবিল উপস্থাপিত এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে সারা দেশে মোট ৩৭টি সরকারি মেডিকেল কলেজ রয়েছে। তার মধ্যে ২৩টি মেডিকেল কলেজে ৫০০ শয্যা ও তদূর্ধ্ব হাসপাতালের কার্যক্রম চলমান আছে। বর্তমানে ৮টি মেডিকেল কলেজের (যশোর, পাবনা, কক্সবাজার, নোয়াখালী, রাঙামাটি, সুনামগঞ্জ, পটুয়াখালি ও জামালপুর) সঙ্গে ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। এছাড়া মাগুরা, হবিগঞ্জ, নেত্রকোণা এবং নওগাঁ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল নির্মাণের লক্ষ্যে ডিপিপি প্রণয়নের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে; বাকি ২টি (চাঁদপুর ও নীলফামারী) মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল নির্মাণের বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে।