Dhaka ০৭:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রিন্স দিয়ে খুলছে মধুবন সিনেপ্লেক্স

12 / 100 SEO Score

ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খানের সিনেমা প্রদর্শনের মধ্য দিয়ে প্রায় সাড়ে পাঁচ মাস বন্ধ থাকার পর আবার চালু হচ্ছে বগুড়ার ‘মধুবন সিনেপ্লেক্স’। আসন্ন ঈদুল ফিতরের দিন থেকে দেশের কিং খানের নতুন সিনেমা ‘প্রিন্স: ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ঢাকা’ প্রদর্শীত হবে এ সিনেপ্লেক্সে। লোকসানের কারণে গত ১৮ সেপ্টেম্বর সিনেপ্লেক্সটি বন্ধ ঘোষণা করেন হলের মালিক আর এম ইউনুস রুবেল। এর পর থেকে হলটি কমিউনিটি সেন্টার হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল।

মধুবন সিনেপ্লেক্সের মালিক আর এম ইউনুস রুবেল বলেন, ‘মাসের পর মাস লোকসান গুনতে গুনতে দেয়ালে পিঠ ঠেকে যায়। বাধ্য হয়ে গত বছরের সেপ্টেম্বরে অনির্দিষ্টকালের জন্য মধুবন সিনেপ্লেক্স বন্ধ ঘোষণা করতে হয়েছিল। নির্বাচিত সরকার না আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করছিলাম। মধুবন সিনেপ্লেক্সকে টিকিয়ে রাখার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। কারণ, এর প্রতিটি ইটের সঙ্গে জড়িয়ে আছে আমার বাবার হাতের ছোঁয়া, পরিবারের আবেগ ও অনুভূতি।’নির্মাণের পাশাপাশি কলকাতা, বোম্বে ও হলিউডে নির্মিত ভালো বিদেশি ছায়াছবি আমদানির উদ্যোগ না নিলে কোটি কোটি টাকা লগ্নি করে নির্মিত সিনেপ্লেক্স টিকিয়ে রাখা সম্ভব হবে না। নতুন সরকার প্রেক্ষাগৃহ ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে কার্যকর উদ্যোগ নেবেন বলে আশা করছি।আশা করি, নির্বাচিত নতুন সরকার বিদেশি সিনেমা আমদানির উদ্যোগ নিয়ে সিনেপ্লেক্স বাঁচাতে মালিকদের সহযোগিতা করবেন।’

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বগুড়া জেলাজুড়ে একসময় ৩৮টি সিনেমা হল ছিল। ভাঙা পড়েছে ৩১টি হল। শহরে দুটিসহ পুরো জেলায় এখন মোটে ৭টি সিনেমা হল টিকে আছে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

প্রিন্স দিয়ে খুলছে মধুবন সিনেপ্লেক্স

Update Time : ০১:০৭:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
12 / 100 SEO Score

ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খানের সিনেমা প্রদর্শনের মধ্য দিয়ে প্রায় সাড়ে পাঁচ মাস বন্ধ থাকার পর আবার চালু হচ্ছে বগুড়ার ‘মধুবন সিনেপ্লেক্স’। আসন্ন ঈদুল ফিতরের দিন থেকে দেশের কিং খানের নতুন সিনেমা ‘প্রিন্স: ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ঢাকা’ প্রদর্শীত হবে এ সিনেপ্লেক্সে। লোকসানের কারণে গত ১৮ সেপ্টেম্বর সিনেপ্লেক্সটি বন্ধ ঘোষণা করেন হলের মালিক আর এম ইউনুস রুবেল। এর পর থেকে হলটি কমিউনিটি সেন্টার হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল।

মধুবন সিনেপ্লেক্সের মালিক আর এম ইউনুস রুবেল বলেন, ‘মাসের পর মাস লোকসান গুনতে গুনতে দেয়ালে পিঠ ঠেকে যায়। বাধ্য হয়ে গত বছরের সেপ্টেম্বরে অনির্দিষ্টকালের জন্য মধুবন সিনেপ্লেক্স বন্ধ ঘোষণা করতে হয়েছিল। নির্বাচিত সরকার না আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করছিলাম। মধুবন সিনেপ্লেক্সকে টিকিয়ে রাখার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। কারণ, এর প্রতিটি ইটের সঙ্গে জড়িয়ে আছে আমার বাবার হাতের ছোঁয়া, পরিবারের আবেগ ও অনুভূতি।’নির্মাণের পাশাপাশি কলকাতা, বোম্বে ও হলিউডে নির্মিত ভালো বিদেশি ছায়াছবি আমদানির উদ্যোগ না নিলে কোটি কোটি টাকা লগ্নি করে নির্মিত সিনেপ্লেক্স টিকিয়ে রাখা সম্ভব হবে না। নতুন সরকার প্রেক্ষাগৃহ ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে কার্যকর উদ্যোগ নেবেন বলে আশা করছি।আশা করি, নির্বাচিত নতুন সরকার বিদেশি সিনেমা আমদানির উদ্যোগ নিয়ে সিনেপ্লেক্স বাঁচাতে মালিকদের সহযোগিতা করবেন।’

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বগুড়া জেলাজুড়ে একসময় ৩৮টি সিনেমা হল ছিল। ভাঙা পড়েছে ৩১টি হল। শহরে দুটিসহ পুরো জেলায় এখন মোটে ৭টি সিনেমা হল টিকে আছে।