Dhaka ১১:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হাসপাতালের বাথরুম নিজেই পরিষ্কার করতে চাইলেন কৃষিমন্ত্রী সিগন্যালে ত্রুটি থাকায় তিন ঘণ্টায় ১৮ ট্রেন বিলম্বিত আটলান্টিক মহাসাগরে প্রাণ গেল ৮০ জনেরও বেশি অভিবাসীর পরকীয়ায় বাধা,পার্কে একত্রিত হয়ে বিষপান নতুন সংসার শুরু করেছেন হিরো আলমের সাবেক স্ত্রী রিয়া মনি অর্ধেক ঋণ, অর্ধেক অনুদানে উদ্যোক্তাদের সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা অর্থায়ন তরুণ উদ্যোক্তাদের সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক মানবতাবিরোধী অপরাধ: কাদের-সাদ্দামসহ ৭ জনের মামলার রায় আগামী সপ্তাহে মস্কোর দিয়ে ধেয়ে আসা ৩৭ ড্রোন ধ্বংস করল রাশিয়া সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরু নয়, সবাইকে বাংলাদেশি ভাবার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ইতিকাফের সময় ধূমপান করা কি ঠিক?

12 / 100 SEO Score

ইতিকাফকারীর জন্য মসজিদের ভেতর সিগারেট, বিড়ি কিংবা হুক্কা পান করা জায়েজ নেই। ইসলামী চিন্তাবিদদের দৃষ্টিতে এটি একটি নিন্দনীয় কাজ। ইতিকাফ একটি বিশেষ ইবাদতের মুহূর্ত। এই সময় সব ধরনের অনর্থক কাজ থেকে বিরত থাকা জরুরি। ধূমপানকে স্বাভাবিক সময়েও জায়েজ বলেন না আলেমরা।

রাসূলুল্লাহ (সা.) কাঁচা পেঁয়াজ, রসুন বা এই জাতীয় দুর্গন্ধযুক্ত কোনো কিছু খেয়ে মসজিদে আসতে নিষেধ করেছেন। এ প্রসঙ্গে হাদিসে এসেছে—

হজরত ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি এই উদ্ভিদ (রসুন) খাবে, সে যেন আমাদের মসজিদের কাছেও না আসে যতক্ষণ না তার মুখ থেকে দুর্গন্ধ চলে যায়। (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ১১৩৬)

মনে রাখতে হবে মসজিদ একটি পবিত্র স্থান। যেহেতু সিগারেটের গন্ধে অন্যের কষ্ট হয় এবং এটি একটি দুর্গন্ধযুক্ত বস্তু, তাই ইতিকাফ অবস্থায় মসজিদের ভেতর এটি পান করা থেকে বিরত থাকা আবশ্যক।

ইসলামের দৃষ্টিতে ধূমপান করা জায়েজ নয়। কারণ, এতে মানুষের জীবন ও সম্পদ উভয়টির ক্ষতি হয়ে থাকে। আর জেনে শুনে নিজের জান-মালের ক্ষতি করা গুনাহ। এছাড়া ইসলাম ক্ষতিকর বিষয় থেকে দূরে থাকার আদেশ দিয়েছে। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘তোমরা নিজের হাতে নিজেকে ধ্বংসের মুখে নিক্ষেপ করো না।’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ১৯৫)

ধূমপানের বিভিন্ন ক্ষতিকর দিকের প্রতি খেয়াল রেখে আলেমরা ধূমপান করাকে মাকরুহ বলে থাকেন।

ইতিকাফ একটি পবিত্র আমল। এই আমলের সময় মানুষ নিজেকে পার্থিব সব ব্যস্ততা থেকে মুক্ত রেখে আল্লাহর সান্নিধ্য লাভের চেষ্টা করেন। নিজেকে রবের কাছে সঁপে দেন। একজন মুসলিমকে পার্থিব সব ঝামেলা মুক্ত করে আল্লাহর ইবাদতে কাটানোর সুবর্ণ সুযোগ করে দেয় ইতিকাফ। এমন মুহূর্ত এ জাতীয় অনর্থক কাজে নষ্ট না করে ইবাদতে মনোযোগী হওয়া উচিত প্রত্যেকের।

 

Tag :

Recent Comments

No comments to show.

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

16 + three =

About Author Information

ইতিকাফের সময় ধূমপান করা কি ঠিক?

Update Time : ০৫:৫১:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
12 / 100 SEO Score

ইতিকাফকারীর জন্য মসজিদের ভেতর সিগারেট, বিড়ি কিংবা হুক্কা পান করা জায়েজ নেই। ইসলামী চিন্তাবিদদের দৃষ্টিতে এটি একটি নিন্দনীয় কাজ। ইতিকাফ একটি বিশেষ ইবাদতের মুহূর্ত। এই সময় সব ধরনের অনর্থক কাজ থেকে বিরত থাকা জরুরি। ধূমপানকে স্বাভাবিক সময়েও জায়েজ বলেন না আলেমরা।

রাসূলুল্লাহ (সা.) কাঁচা পেঁয়াজ, রসুন বা এই জাতীয় দুর্গন্ধযুক্ত কোনো কিছু খেয়ে মসজিদে আসতে নিষেধ করেছেন। এ প্রসঙ্গে হাদিসে এসেছে—

হজরত ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি এই উদ্ভিদ (রসুন) খাবে, সে যেন আমাদের মসজিদের কাছেও না আসে যতক্ষণ না তার মুখ থেকে দুর্গন্ধ চলে যায়। (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ১১৩৬)

মনে রাখতে হবে মসজিদ একটি পবিত্র স্থান। যেহেতু সিগারেটের গন্ধে অন্যের কষ্ট হয় এবং এটি একটি দুর্গন্ধযুক্ত বস্তু, তাই ইতিকাফ অবস্থায় মসজিদের ভেতর এটি পান করা থেকে বিরত থাকা আবশ্যক।

ইসলামের দৃষ্টিতে ধূমপান করা জায়েজ নয়। কারণ, এতে মানুষের জীবন ও সম্পদ উভয়টির ক্ষতি হয়ে থাকে। আর জেনে শুনে নিজের জান-মালের ক্ষতি করা গুনাহ। এছাড়া ইসলাম ক্ষতিকর বিষয় থেকে দূরে থাকার আদেশ দিয়েছে। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘তোমরা নিজের হাতে নিজেকে ধ্বংসের মুখে নিক্ষেপ করো না।’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ১৯৫)

ধূমপানের বিভিন্ন ক্ষতিকর দিকের প্রতি খেয়াল রেখে আলেমরা ধূমপান করাকে মাকরুহ বলে থাকেন।

ইতিকাফ একটি পবিত্র আমল। এই আমলের সময় মানুষ নিজেকে পার্থিব সব ব্যস্ততা থেকে মুক্ত রেখে আল্লাহর সান্নিধ্য লাভের চেষ্টা করেন। নিজেকে রবের কাছে সঁপে দেন। একজন মুসলিমকে পার্থিব সব ঝামেলা মুক্ত করে আল্লাহর ইবাদতে কাটানোর সুবর্ণ সুযোগ করে দেয় ইতিকাফ। এমন মুহূর্ত এ জাতীয় অনর্থক কাজে নষ্ট না করে ইবাদতে মনোযোগী হওয়া উচিত প্রত্যেকের।