Dhaka ০৭:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এশিয়ার শেয়ার বাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অর্থনীতি রিপোর্ট

12 / 100 SEO Score

এশিয়া-প্যাসিফিক সূচকগুলো রেকর্ড এ উচ্চয়তা পৌঁছেছে। এয়ারবজয় ভূমিকা রেখেছে প্রযুক্তি কোম্পানির শেয়ারদরের উত্থান এবং জাপানের নির্বাচনে সানায়ে তাকাইচির বিজয়। একই সময় প্রকাশ হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী কর্মসংস্থান তথ্য। এটি ডলারকে আরো শক্তিশালী ও ফেডারেল রিজার্ভের (ফেড) সুদহার কমানোর সংক্ষিপ্ত মেয়াদি প্রত্যাশা নিম্নমুখী করেছে। রয়টার্সের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, প্রযুক্তি খাতের উত্থানে দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের শেয়ারবাজার সূচকগুলো গত বৃহস্পতিবার রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছায়। ফলে এশিয়া-প্যাসিফিক শেয়ারের বিস্তৃত সূচক এমএসসিআই নতুন রেকর্ড গড়েছে। সূচকটি দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে। সব মিলিয়ে চলতি বছরের প্রথম ছয় সপ্তাহে প্রায় ১৩ শতাংশ মুনাফা করেছে এমএসসিআই।

প্রধানমন্ত্রী সানায়ে বিজয়ের থেকে উর্ধ্বমুখী প্রবণতায় রয়েছে জাপানের শেয়ারবাজার। নির্বাচনি প্রচারণায় অর্থনৈতিক শিথিলতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তিনি। সপ্তাহ জুড়ে ইয়েন ২.৭ শতাংশ শক্তিশালী হয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, তাকাইচি সরকার অর্থনৈতিকভাবে দায়িত্বশীল হবে এমন প্রত্যাশা থেকে মুদ্রাবাজার শক্তিশালী হয়েছে।

ইউরোপীয় ফিউচার সূচকগুলোও শক্তিশালী সূচনার ইঙ্গিত দিয়েছে। কারণ আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশের মৌসুম হওয়ায় করপোরেট খাত নিয়ে আশাবাদী বিনিয়োগকারীরা। তাদের মনোযোগের কেন্দ্রে আরো রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের কিছু অর্থনৈতিক প্রতিবেদন। গত বুধবার প্রকাশিত তথ্য অনুসারে, গত মাসে মার্কিন শ্রমবাজার অপ্রত্যাশিতভাবে গতিশীল ছিল এবং বেকারত্বের হার কিছু কমেছে। সামগ্রিকভাবে এটি দেশটির শ্রমবাজারের স্থিতিশীলতা ফেরার ইঙ্গিত দিচ্ছে। ফলে স্বল্পমেয়াদে সুদহার অপরিবর্তিত রাখার দিকে যেতে পারে ফেড। সাধারণত ফেডের সুদহার প্রত্যাশার ভিত্তিতে ওঠানামা করে দুই বছরের মার্কিন ট্রেজারি রিটার্ন। সর্বশেষ সেশনে এটি ৫.৮ বেসিস পয়েন্ট বেড়ে ৩.৫০৫ শতাংশ হয়েছে, যা অক্টোবরের শেষ নাগাদ থেকে একদিনে সর্বোচ্চ বৃদ্ধি।

এদিকে মুদ্রাবাজার ডলার শক্তিশালী হলেও ব্যতিক্রম হিসেবে পুনরায় শক্তিশালী হয়েছে ইয়েন। কারণ বিনিয়োগকারীরা মনে করছেন, নির্বাচনে বিপুল বিজয় জাপান সরকারকে অর্থনৈতিকভাবে দায়িত্বশীল হতে বাধ্য করবে এবং বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনা করার প্রয়োজন কমাবে।

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

এশিয়ার শেয়ার বাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অর্থনীতি রিপোর্ট

Update Time : ১১:৩২:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
12 / 100 SEO Score

এশিয়া-প্যাসিফিক সূচকগুলো রেকর্ড এ উচ্চয়তা পৌঁছেছে। এয়ারবজয় ভূমিকা রেখেছে প্রযুক্তি কোম্পানির শেয়ারদরের উত্থান এবং জাপানের নির্বাচনে সানায়ে তাকাইচির বিজয়। একই সময় প্রকাশ হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী কর্মসংস্থান তথ্য। এটি ডলারকে আরো শক্তিশালী ও ফেডারেল রিজার্ভের (ফেড) সুদহার কমানোর সংক্ষিপ্ত মেয়াদি প্রত্যাশা নিম্নমুখী করেছে। রয়টার্সের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, প্রযুক্তি খাতের উত্থানে দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের শেয়ারবাজার সূচকগুলো গত বৃহস্পতিবার রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছায়। ফলে এশিয়া-প্যাসিফিক শেয়ারের বিস্তৃত সূচক এমএসসিআই নতুন রেকর্ড গড়েছে। সূচকটি দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে। সব মিলিয়ে চলতি বছরের প্রথম ছয় সপ্তাহে প্রায় ১৩ শতাংশ মুনাফা করেছে এমএসসিআই।

প্রধানমন্ত্রী সানায়ে বিজয়ের থেকে উর্ধ্বমুখী প্রবণতায় রয়েছে জাপানের শেয়ারবাজার। নির্বাচনি প্রচারণায় অর্থনৈতিক শিথিলতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তিনি। সপ্তাহ জুড়ে ইয়েন ২.৭ শতাংশ শক্তিশালী হয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, তাকাইচি সরকার অর্থনৈতিকভাবে দায়িত্বশীল হবে এমন প্রত্যাশা থেকে মুদ্রাবাজার শক্তিশালী হয়েছে।

ইউরোপীয় ফিউচার সূচকগুলোও শক্তিশালী সূচনার ইঙ্গিত দিয়েছে। কারণ আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশের মৌসুম হওয়ায় করপোরেট খাত নিয়ে আশাবাদী বিনিয়োগকারীরা। তাদের মনোযোগের কেন্দ্রে আরো রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের কিছু অর্থনৈতিক প্রতিবেদন। গত বুধবার প্রকাশিত তথ্য অনুসারে, গত মাসে মার্কিন শ্রমবাজার অপ্রত্যাশিতভাবে গতিশীল ছিল এবং বেকারত্বের হার কিছু কমেছে। সামগ্রিকভাবে এটি দেশটির শ্রমবাজারের স্থিতিশীলতা ফেরার ইঙ্গিত দিচ্ছে। ফলে স্বল্পমেয়াদে সুদহার অপরিবর্তিত রাখার দিকে যেতে পারে ফেড। সাধারণত ফেডের সুদহার প্রত্যাশার ভিত্তিতে ওঠানামা করে দুই বছরের মার্কিন ট্রেজারি রিটার্ন। সর্বশেষ সেশনে এটি ৫.৮ বেসিস পয়েন্ট বেড়ে ৩.৫০৫ শতাংশ হয়েছে, যা অক্টোবরের শেষ নাগাদ থেকে একদিনে সর্বোচ্চ বৃদ্ধি।

এদিকে মুদ্রাবাজার ডলার শক্তিশালী হলেও ব্যতিক্রম হিসেবে পুনরায় শক্তিশালী হয়েছে ইয়েন। কারণ বিনিয়োগকারীরা মনে করছেন, নির্বাচনে বিপুল বিজয় জাপান সরকারকে অর্থনৈতিকভাবে দায়িত্বশীল হতে বাধ্য করবে এবং বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনা করার প্রয়োজন কমাবে।