Dhaka ১১:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সব ধর্মের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে দেশ গড়ার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ড: গ্রেপ্তারের আগে ফেসবুকে যে আক্ষেপের কথা লিখেছিলেন নজরুল ইসলামে যাদের সঙ্গে বিবাহ বন্ধন হারাম মণ্ডপ পরিদর্শনে সৈয়দপুর পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী আর্জেন্টিনার কাছে হার: রেফারির সমালোচনা করায় মিশরের কোচসহ তিনজন নিষিদ্ধ ইসরায়েলে নির্বাচনে নেতানিয়াহুর ভাগ্য নির্ধারণ করবে মুসলিম ভোটাররা টুপটুপ কর্তৃপক্ষের চরম অবহেলায় প্রাণ হারায় ১০ পর্যটক : পুলিশ ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে ওঠার সমীকরণ, কী করতে হবে বাংলাদেশকে আসামে দুই দিনে উচ্ছেদ ১১০০ বাঙালি মুসলিম পরিবার, গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ১০টি মসজিদ নাটোরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষ: নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৪

টানা বৃষ্টিতে সাজেকে আটকা চার শতাধিক পর্যটক

নিজস্ব প্রতিবেদক
4 / 100 SEO Score

 

টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি ও লংগদু উপজেলার সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। খাগড়াছড়ির মাইনী নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় একাধিক সড়ক পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এতে দূরপাল্লার যান চলাচল বন্ধ রয়েছে এবং সাজেক ভ্যালিতে আটকা পড়েছেন প্রায় ৪০০ পর্যটক।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিতে মাইনী নদীতে পাহাড়ি ঢল নেমেছে। এতে বাঘাইছড়ি-দীঘিনালা এবং লংগদু-দীঘিনালা সড়কের বিভিন্ন অংশ পানিতে ডুবে গেছে। পাশাপাশি কয়েকটি স্থানে পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে এবং কোথাও কোথাও সড়কের মাটি সরে যাওয়ায় ধসের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

সাজেকে যাতায়াতের প্রধান সড়ক পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় সেখানে অবস্থানরত প্রায় ৪০০ পর্যটক ফিরে আসতে পারছেন না। এর আগে মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সন্ধ্যায় রাঙামাটি জেলা প্রশাসন বৈরী আবহাওয়া ও পাহাড়ধসের ঝুঁকির কারণে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাজেক পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করে। তবে ওই সিদ্ধান্তের আগেই অনেক পর্যটক সাজেকে অবস্থান করায় তারা এখন আটকা পড়েছেন।

বাঘাইছড়ি-দীঘিনালা সড়কের উপর দিয়ে পাহাড়ী ঢল। এদিকে লংগদু-দীঘিনালা সড়কের মেরুং এলাকাতেও মাইনী নদীর পানি সড়কের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। ফলে লংগদু থেকে দূরপাল্লার সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

অন্যদিকে রাঙ্গামাটি-খাগড়াছড়ি সড়কের নানিয়ারচরের কেঙ্গেলছড়ি এলাকায়ও সড়কের ওপর পানি ওঠায় যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। রাঙ্গামাটি-খাগড়াছড়ি-মহালছড়ি সড়কের কয়েকটি অংশ হাঁটুসমান পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের দুর্ভোগ বেড়েছে। জরুরি প্রয়োজনেও অনেককে হেঁটে পানি পার হয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।

সাজেক কটেজ মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক রাহুল চাকমা জন জানান, বিকেলের মধ্যে পানি নেমে গেলে আটকে পড়া পর্যটকদের খাগড়াছড়ির উদ্দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।

তিনি আরও বলেন, দুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আটকে পড়া পর্যটকদের কাছ থেকে আপাতত অতিরিক্ত রুম ভাড়া নেওয়া হচ্ছে না।

স্থানীয়দের আশঙ্কা, বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে পাহাড়ধস ও জলাবদ্ধতার পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।

 

Recent Comments

No comments to show.

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

8 + four =

About Author Information

টানা বৃষ্টিতে সাজেকে আটকা চার শতাধিক পর্যটক

Update Time : ০৮:০৪:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬
4 / 100 SEO Score

 

টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি ও লংগদু উপজেলার সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। খাগড়াছড়ির মাইনী নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় একাধিক সড়ক পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এতে দূরপাল্লার যান চলাচল বন্ধ রয়েছে এবং সাজেক ভ্যালিতে আটকা পড়েছেন প্রায় ৪০০ পর্যটক।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিতে মাইনী নদীতে পাহাড়ি ঢল নেমেছে। এতে বাঘাইছড়ি-দীঘিনালা এবং লংগদু-দীঘিনালা সড়কের বিভিন্ন অংশ পানিতে ডুবে গেছে। পাশাপাশি কয়েকটি স্থানে পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে এবং কোথাও কোথাও সড়কের মাটি সরে যাওয়ায় ধসের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

সাজেকে যাতায়াতের প্রধান সড়ক পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় সেখানে অবস্থানরত প্রায় ৪০০ পর্যটক ফিরে আসতে পারছেন না। এর আগে মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সন্ধ্যায় রাঙামাটি জেলা প্রশাসন বৈরী আবহাওয়া ও পাহাড়ধসের ঝুঁকির কারণে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাজেক পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করে। তবে ওই সিদ্ধান্তের আগেই অনেক পর্যটক সাজেকে অবস্থান করায় তারা এখন আটকা পড়েছেন।

বাঘাইছড়ি-দীঘিনালা সড়কের উপর দিয়ে পাহাড়ী ঢল। এদিকে লংগদু-দীঘিনালা সড়কের মেরুং এলাকাতেও মাইনী নদীর পানি সড়কের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। ফলে লংগদু থেকে দূরপাল্লার সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

অন্যদিকে রাঙ্গামাটি-খাগড়াছড়ি সড়কের নানিয়ারচরের কেঙ্গেলছড়ি এলাকায়ও সড়কের ওপর পানি ওঠায় যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। রাঙ্গামাটি-খাগড়াছড়ি-মহালছড়ি সড়কের কয়েকটি অংশ হাঁটুসমান পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের দুর্ভোগ বেড়েছে। জরুরি প্রয়োজনেও অনেককে হেঁটে পানি পার হয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।

সাজেক কটেজ মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক রাহুল চাকমা জন জানান, বিকেলের মধ্যে পানি নেমে গেলে আটকে পড়া পর্যটকদের খাগড়াছড়ির উদ্দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।

তিনি আরও বলেন, দুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আটকে পড়া পর্যটকদের কাছ থেকে আপাতত অতিরিক্ত রুম ভাড়া নেওয়া হচ্ছে না।

স্থানীয়দের আশঙ্কা, বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে পাহাড়ধস ও জলাবদ্ধতার পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।