Dhaka ০৩:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দেখা হয়নি, ফোনেই বিয়ের সিদ্ধান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক
8 / 100 SEO Score

 

সামনাসামনি দেখা হয়নি, হয়নি দীর্ঘদিনের প্রেম কিংবা নিয়মিত দেখা-সাক্ষাৎ। শুধু মুঠোফোনে কথোপকথন আর পারস্পরিক বিশ্বাসের ওপর ভর করেই বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী ও ডা. শান্তা। সময়ের পরিক্রমায় সেই সিদ্ধান্তই গড়িয়েছে দুই দশকের দাম্পত্য জীবনে।

২০০৭ সালে চিকিৎসক ডা. শান্তাকে বিয়ে করেন চঞ্চল চৌধুরী। এই দম্পতির একমাত্র সন্তান পুত্র শুদ্ধ। শুক্রবার দুপুরে সামাজিক মাধ্যমে পরিবারের একটি ছবি প্রকাশ করেন চঞ্চল। ছবিটির সঙ্গে দেওয়া পোস্টে ব্যক্তিজীবনের নানা স্মৃতি নিয়ে আবেগঘন কথা লেখেন তিনি।

অভিনেতার দীর্ঘ সেই লেখার শিরোনাম ছিল ‘বিশে বিষক্ষয়’। জানা গেছে, চঞ্চল ও শান্তার দাম্পত্য জীবনের দুই দশক পূর্ণ হয়েছে। বিশেষ এই উপলক্ষেই অতীতের স্মৃতি রোমন্থন করে আবেগঘন পোস্টটি দিয়েছেন অভিনেতা।

পোস্টে চঞ্চল উল্লেখ করেন, বাটন ফোনের যুগে গভীর রাতে এক মেয়ের ফোন পাওয়ার মধ্য দিয়ে তার জীবনে সম্পর্কটির শুরু। ওই নারী ফোন করে বলেছিলেন, ‘আপনার অভিনয় আমার ভাল্লাগে।’

চঞ্চলের ভাষ্য, তখন তার মনে হয়েছিল, শুধু অভিনয় নয়, হয়তো তাকেও ভালো লেগেছিল মেয়েটির। এরপর প্রায় এক মাস মুঠোফোনে কথাবার্তা হয় তাদের। পরে সামনাসামনি দেখা না করেই তারা বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন।

চঞ্চল লেখেন, ‘ওই বিশ্বাস নিয়েই মনে হয় মোবাইল ফোনে মাস খানেক কথা বার্তা….তারপর সামনাসামনি দেখা না করেই ফোনে কথা দেওয়া যে, সে রাজি থাকলে আমরা বিয়ে করতে পারি।’

পোস্টে চঞ্চল লিখেছেন, তখন তার বয়সও বাড়ছিল। পরিবার থেকেও বিয়ের জন্য চাপ ছিল। তার বিয়ের সিদ্ধান্তে পুরো পরিবার আনন্দিত হলেও মেয়েটির পরিবারের কয়েকজন রাজি ছিলেন না, কেউ কেউ আবার কিছুটা সম্মত ছিলেন।

শেষ পর্যন্ত নিজেদের সিদ্ধান্তেই বিয়ে করেন তারা। চঞ্চল আরও জানান, দুই দফায় বিয়ে হয়েছিল তাদের। প্রথম দফায় আইনি প্রক্রিয়ায় এবং দ্বিতীয় দফায় ধর্মীয় অনুশাসন মেনে।

দাম্পত্য জীবনের ২০ বছর পূর্তিতে স্ত্রী ও ছেলের জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন এই অভিনেতা। সেখানেও উঠে আসে স্ত্রী-সন্তানদের প্রতি তার অগাধ ভালোবাসা। লিখেছেন, ‘আমার জন্য কম প্রার্থনা করলেও, আমার বউ, ছেলের জন্য সবাই দোয়া-প্রার্থনা করবেন।’

Recent Comments

No comments to show.

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

two × 1 =

About Author Information

দেখা হয়নি, ফোনেই বিয়ের সিদ্ধান্ত

Update Time : ০৬:৪৬:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬
8 / 100 SEO Score

 

সামনাসামনি দেখা হয়নি, হয়নি দীর্ঘদিনের প্রেম কিংবা নিয়মিত দেখা-সাক্ষাৎ। শুধু মুঠোফোনে কথোপকথন আর পারস্পরিক বিশ্বাসের ওপর ভর করেই বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী ও ডা. শান্তা। সময়ের পরিক্রমায় সেই সিদ্ধান্তই গড়িয়েছে দুই দশকের দাম্পত্য জীবনে।

২০০৭ সালে চিকিৎসক ডা. শান্তাকে বিয়ে করেন চঞ্চল চৌধুরী। এই দম্পতির একমাত্র সন্তান পুত্র শুদ্ধ। শুক্রবার দুপুরে সামাজিক মাধ্যমে পরিবারের একটি ছবি প্রকাশ করেন চঞ্চল। ছবিটির সঙ্গে দেওয়া পোস্টে ব্যক্তিজীবনের নানা স্মৃতি নিয়ে আবেগঘন কথা লেখেন তিনি।

অভিনেতার দীর্ঘ সেই লেখার শিরোনাম ছিল ‘বিশে বিষক্ষয়’। জানা গেছে, চঞ্চল ও শান্তার দাম্পত্য জীবনের দুই দশক পূর্ণ হয়েছে। বিশেষ এই উপলক্ষেই অতীতের স্মৃতি রোমন্থন করে আবেগঘন পোস্টটি দিয়েছেন অভিনেতা।

পোস্টে চঞ্চল উল্লেখ করেন, বাটন ফোনের যুগে গভীর রাতে এক মেয়ের ফোন পাওয়ার মধ্য দিয়ে তার জীবনে সম্পর্কটির শুরু। ওই নারী ফোন করে বলেছিলেন, ‘আপনার অভিনয় আমার ভাল্লাগে।’

চঞ্চলের ভাষ্য, তখন তার মনে হয়েছিল, শুধু অভিনয় নয়, হয়তো তাকেও ভালো লেগেছিল মেয়েটির। এরপর প্রায় এক মাস মুঠোফোনে কথাবার্তা হয় তাদের। পরে সামনাসামনি দেখা না করেই তারা বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন।

চঞ্চল লেখেন, ‘ওই বিশ্বাস নিয়েই মনে হয় মোবাইল ফোনে মাস খানেক কথা বার্তা….তারপর সামনাসামনি দেখা না করেই ফোনে কথা দেওয়া যে, সে রাজি থাকলে আমরা বিয়ে করতে পারি।’

পোস্টে চঞ্চল লিখেছেন, তখন তার বয়সও বাড়ছিল। পরিবার থেকেও বিয়ের জন্য চাপ ছিল। তার বিয়ের সিদ্ধান্তে পুরো পরিবার আনন্দিত হলেও মেয়েটির পরিবারের কয়েকজন রাজি ছিলেন না, কেউ কেউ আবার কিছুটা সম্মত ছিলেন।

শেষ পর্যন্ত নিজেদের সিদ্ধান্তেই বিয়ে করেন তারা। চঞ্চল আরও জানান, দুই দফায় বিয়ে হয়েছিল তাদের। প্রথম দফায় আইনি প্রক্রিয়ায় এবং দ্বিতীয় দফায় ধর্মীয় অনুশাসন মেনে।

দাম্পত্য জীবনের ২০ বছর পূর্তিতে স্ত্রী ও ছেলের জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন এই অভিনেতা। সেখানেও উঠে আসে স্ত্রী-সন্তানদের প্রতি তার অগাধ ভালোবাসা। লিখেছেন, ‘আমার জন্য কম প্রার্থনা করলেও, আমার বউ, ছেলের জন্য সবাই দোয়া-প্রার্থনা করবেন।’