Dhaka ০৩:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১৪ টাকায় ডিম, ২০০ টাকায় শিম: চাপে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত সিফাতের গ্রেফতার প্রসঙ্গে, ক্ষমতাসীন কাউকে গালি দিলে সেটা অপরাধ: জারা রাজপথে হুমকি নয়, সংসদে গ্যাস-বিদ্যুৎ নিয়ে পরামর্শ দিন পুলিশের অভিযানে হামলা, গোপন সুড়ঙ্গ দিয়ে পালাল ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ বগা নেপালে নিখোঁজ ৫ হাজার ৮৩: বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ২৮৭ টিকা না পাওয়া শিশুদের খুঁজে বের করে আবারও ক্যাম্পেইন যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের তিন পাইলট নিহত হাসপাতালের বাথরুম নিজেই পরিষ্কার করতে চাইলেন কৃষিমন্ত্রী সিগন্যালে ত্রুটি থাকায় তিন ঘণ্টায় ১৮ ট্রেন বিলম্বিত আটলান্টিক মহাসাগরে প্রাণ গেল ৮০ জনেরও বেশি অভিবাসীর

শাহ আমানতে দুই দিনে ১৯, দেড় মাসে ২৬৪ ফ্লাইট বাতিল

12 / 100 SEO Score

 

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ তীব্র হওয়ায় আকাশপথে যোগাযোগে বড় ধরনের সমস্যা দেখা দিয়েছে, যার প্রভাব পড়েছে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। গত শনিবার ও রোববার দুই দিনে মধ্যপ্রাচ্যগামী ও সেখান থেকে আসা ১৯টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এ ছাড়া ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত এই বিমানবন্দরে মোট ২৬৪টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।

রোববার (৫ এপ্রিল) রাতে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল স্বাক্ষরিত এক প্রেস বুলেটিনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ৪ এপ্রিল (শনিবার) এবং ৫ এপ্রিল (রোববার) সারাদিনে মোট ১৯টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ৪টি এরাইভাল এবং ৩টি ডিপার্চারসহ মোট ৭টি ফ্লাইট। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য রুটের ২টি এরাইভাল ও ২টি ডিপার্চারসহ মোট ৪টি ফ্লাইট।

এতে আরও বলা হয়, এয়ার আরাবিয়ার শারজাহ রুটের ২টি এরাইভাল ও ২টি ডিপার্চারসহ মোট ৪টি ফ্লাইট। সালাম এয়ারের ওমান রুটের ২টি এরাইভাল ও ২টি ডিপার্চারসহ মোট ৪টি ফ্লাইট। ফ্লাইট বাতিলের হিড়িকের মধ্যেও গত দুইদিনে মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত বিভিন্ন এয়ারলাইনসের ১৩টি এরাইভাল এবং ১০টি ডিপার্চার ফ্লাইট সচল ছিল।

প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, সালাম এয়ার, এয়ার আরাবিয়া এবং ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ, দুবাই ও আবুধাবি থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলোর স্থবিরতা এখনো অপরিবর্তিত রয়েছে। ফলে ওই অঞ্চলের প্রবাসীদের যাতায়াতে ভোগান্তি আরও দীর্ঘায়িত হচ্ছে।

তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ফ্লাইট সূচিতে এই অনিশ্চয়তা বজায় থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। যাত্রীসাধারণকে বিমানবন্দরে আসার আগে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্স বা কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

 

Tag :

Recent Comments

No comments to show.

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

seventeen + 14 =

About Author Information

শাহ আমানতে দুই দিনে ১৯, দেড় মাসে ২৬৪ ফ্লাইট বাতিল

Update Time : ০৬:৫২:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬
12 / 100 SEO Score

 

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ তীব্র হওয়ায় আকাশপথে যোগাযোগে বড় ধরনের সমস্যা দেখা দিয়েছে, যার প্রভাব পড়েছে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। গত শনিবার ও রোববার দুই দিনে মধ্যপ্রাচ্যগামী ও সেখান থেকে আসা ১৯টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এ ছাড়া ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত এই বিমানবন্দরে মোট ২৬৪টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।

রোববার (৫ এপ্রিল) রাতে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল স্বাক্ষরিত এক প্রেস বুলেটিনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ৪ এপ্রিল (শনিবার) এবং ৫ এপ্রিল (রোববার) সারাদিনে মোট ১৯টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ৪টি এরাইভাল এবং ৩টি ডিপার্চারসহ মোট ৭টি ফ্লাইট। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য রুটের ২টি এরাইভাল ও ২টি ডিপার্চারসহ মোট ৪টি ফ্লাইট।

এতে আরও বলা হয়, এয়ার আরাবিয়ার শারজাহ রুটের ২টি এরাইভাল ও ২টি ডিপার্চারসহ মোট ৪টি ফ্লাইট। সালাম এয়ারের ওমান রুটের ২টি এরাইভাল ও ২টি ডিপার্চারসহ মোট ৪টি ফ্লাইট। ফ্লাইট বাতিলের হিড়িকের মধ্যেও গত দুইদিনে মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত বিভিন্ন এয়ারলাইনসের ১৩টি এরাইভাল এবং ১০টি ডিপার্চার ফ্লাইট সচল ছিল।

প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, সালাম এয়ার, এয়ার আরাবিয়া এবং ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ, দুবাই ও আবুধাবি থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলোর স্থবিরতা এখনো অপরিবর্তিত রয়েছে। ফলে ওই অঞ্চলের প্রবাসীদের যাতায়াতে ভোগান্তি আরও দীর্ঘায়িত হচ্ছে।

তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ফ্লাইট সূচিতে এই অনিশ্চয়তা বজায় থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। যাত্রীসাধারণকে বিমানবন্দরে আসার আগে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্স বা কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।