Dhaka ০৫:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভেরিফিকেশনে প্রার্থীদের বাদ দেওয়ার কারণ স্পষ্ট করতে হবে সরকারকে

নিজস্ব প্রতিবেদক
8 / 100 SEO Score

 

 

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েও ‘অনেক’ শিক্ষার্থী নিয়োগপত্র না পাওয়ায় ভেরিফিকেশন পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি বলেন, ‘সরকারকে ভেরিফিকেশনের মানদণ্ড এবং প্রার্থীদের বাদ দেওয়ার কারণ স্পষ্ট করতে হবে। যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ নেই, তাদের নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। সরকারি চাকরি কোনো সরকারের দয়া, দলীয় পুরস্কার বা রাজনৈতিক আনুকূল্য নয়।’

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে পেইজে এক পোস্টে এসব কথা বলেন।

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে ভেরিফিকেশনের নামে যোগ্য ও মেধাবী চাকরিপ্রার্থীদের বাদ দেওয়া হলো কেন?- এই শিরোনামে একটি লেখা পোস্ট করেন তিনি।

সেখানে তিনি লিখেন, ‘মেধা ও যোগ্যতার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগে হাজারো তরুণকে মাসের পর মাস অপেক্ষা করতে হয়েছে। লিখিতসহ নিয়োগের অন্যান্য ধাপে নিজেদের যোগ্যতার প্রমাণ দেওয়ার পরও দীর্ঘ আট মাস ধরে তাদের ভেরিফিকেশনের নামে অনিশ্চয়তা ও হয়রানির মধ্যে রাখা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত যোগ্যতা ও মেধার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এসব প্রার্থীর অনেককেই নিয়োগ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।’

তিনি আরও লিখেন, ‘নিরাপত্তা যাচাইয়ের প্রয়োজন থাকতেই পারে। কিন্তু প্রশ্ন হলো কোন আইনি ভিত্তিতে, কী মানদণ্ডে এবং কী প্রক্রিয়ায় একজন চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীকে বাদ দেওয়া হলো? কারও বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ও আইনসম্মত অভিযোগ থাকলে তা স্পষ্ট করতে হবে। আর অভিযোগ না থাকলে তাকে চাকরি থেকে বঞ্চিত করার কারণ কী?’

মেধা ও যোগ্যতায় উত্তীর্ণ একজন নাগরিকের অধিকারকে অস্বচ্ছ ভেরিফিকেশন বা রাজনৈতিক বিবেচনায় খর্ব করার অধিকার কোনো সরকারের নেই বলেও মন্তব্য করেছেন আসিফ মাহমুদ।

 

Tag :

Recent Comments

No comments to show.

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

4 + eleven =

About Author Information

ভেরিফিকেশনে প্রার্থীদের বাদ দেওয়ার কারণ স্পষ্ট করতে হবে সরকারকে

Update Time : ০৬:৩২:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
8 / 100 SEO Score

 

 

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েও ‘অনেক’ শিক্ষার্থী নিয়োগপত্র না পাওয়ায় ভেরিফিকেশন পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি বলেন, ‘সরকারকে ভেরিফিকেশনের মানদণ্ড এবং প্রার্থীদের বাদ দেওয়ার কারণ স্পষ্ট করতে হবে। যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ নেই, তাদের নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। সরকারি চাকরি কোনো সরকারের দয়া, দলীয় পুরস্কার বা রাজনৈতিক আনুকূল্য নয়।’

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে পেইজে এক পোস্টে এসব কথা বলেন।

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে ভেরিফিকেশনের নামে যোগ্য ও মেধাবী চাকরিপ্রার্থীদের বাদ দেওয়া হলো কেন?- এই শিরোনামে একটি লেখা পোস্ট করেন তিনি।

সেখানে তিনি লিখেন, ‘মেধা ও যোগ্যতার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগে হাজারো তরুণকে মাসের পর মাস অপেক্ষা করতে হয়েছে। লিখিতসহ নিয়োগের অন্যান্য ধাপে নিজেদের যোগ্যতার প্রমাণ দেওয়ার পরও দীর্ঘ আট মাস ধরে তাদের ভেরিফিকেশনের নামে অনিশ্চয়তা ও হয়রানির মধ্যে রাখা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত যোগ্যতা ও মেধার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এসব প্রার্থীর অনেককেই নিয়োগ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।’

তিনি আরও লিখেন, ‘নিরাপত্তা যাচাইয়ের প্রয়োজন থাকতেই পারে। কিন্তু প্রশ্ন হলো কোন আইনি ভিত্তিতে, কী মানদণ্ডে এবং কী প্রক্রিয়ায় একজন চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীকে বাদ দেওয়া হলো? কারও বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ও আইনসম্মত অভিযোগ থাকলে তা স্পষ্ট করতে হবে। আর অভিযোগ না থাকলে তাকে চাকরি থেকে বঞ্চিত করার কারণ কী?’

মেধা ও যোগ্যতায় উত্তীর্ণ একজন নাগরিকের অধিকারকে অস্বচ্ছ ভেরিফিকেশন বা রাজনৈতিক বিবেচনায় খর্ব করার অধিকার কোনো সরকারের নেই বলেও মন্তব্য করেছেন আসিফ মাহমুদ।