Dhaka ০৫:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কঙ্গোর দুর্ঘটনায় বিমানে থাকা সবাই নিহত হয়েছেন

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক
8 / 100 SEO Score

 

কঙ্গোয় কিকউইট শহর থেকে রাজধানী কিনশাসার উদ্দেশে উড্ডয়ন করে দেশটির সামরিক উড়োজাহাজ। পথে কারিগরি ত্রুটি দেখা দিলে কোয়াঙ্গো প্রদেশের কেনজে জরুরি অবতরণের চেষ্টা করে এটি। তবে সেখানে অবতরণের কোনো সুযোগ না পেয়ে শেষ পর্যন্ত সেটি একটি আবাসিক এলাকায় বিধ্বস্ত হয়।

আফ্রিকার দেশ ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোয় (ডিআর কঙ্গো) একটি সামরিক উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়েছে। এ ঘটনায় দেশটির সামরিক বাহিনীর একাধিক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারাসহ অন্তত ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। খবর আল জাজিরা, এপি, রয়টার্স।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর খবর বলছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় কিকউইট শহর থেকে রাজধানী কিনশাসার উদ্দেশে উড্ডয়ন করে উড়োজাহাজটি। পথে কারিগরি ত্রুটি দেখা দিলে কোয়াঙ্গো প্রদেশের কেনজে জরুরি অবতরণের চেষ্টা করে এটি। তবে সেখানে অবতরণের কোনো সুযোগ না পেয়ে শেষ পর্যন্ত সেটি একটি আবাসিক এলাকায় বিধ্বস্ত হয়।

দুর্ঘটনায় ১৪ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে কঙ্গোর সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র মেজর জেনারেল এফোমি একেঞ্জে জানান, উড়োজাহাজটিতে থাকা সবাই নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১২ জনের মরদেহ এতটাই পুড়ে গেছে যে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পাইলটের মরদেহ বিমানের বাইরে পাওয়া গেছে। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

একই তথ্য জানিয়েছে কোয়াঙ্গোর উপগভর্নর রেমি সাকি বোকিন্ডা বলেন, কেনজেতে অবতরণের মতো কোনো স্থান না থাকায় উড়োজাহাজটি একটি আবাসিক এলাকায় বিধ্বস্ত হয়।

দেশটির সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে বেসামরিক নাগরিক এবং দুই জেনারেলের সঙ্গে সফররত একটি সরকারি প্রতিনিধিদলের সদস্যরাও ছিলেন। এছাড়া আরো কয়েকজন সামরিক সদস্য নিহত হয়েছেন।

মধ্য আফ্রিকার বিশাল ও খনিজসম্পদে সমৃদ্ধ দেশ ডিআর কঙ্গো কয়েক দশক ধরে সংঘাতে জর্জরিত। বিশেষ করে রুয়ান্ডার সীমান্তবর্তী পূর্বাঞ্চলে বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠী মূল্যবান খনিগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিতে লড়াই করছে।

গত বছর থেকে দেশটির সামরিক বাহিনী বেশ কয়েকটি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে লড়াই করছে। এসব গোষ্ঠী ইতোমধ্যে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি শহরের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে।

Recent Comments

No comments to show.

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

three × five =

About Author Information

কঙ্গোর দুর্ঘটনায় বিমানে থাকা সবাই নিহত হয়েছেন

Update Time : ০৬:১৫:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
8 / 100 SEO Score

 

কঙ্গোয় কিকউইট শহর থেকে রাজধানী কিনশাসার উদ্দেশে উড্ডয়ন করে দেশটির সামরিক উড়োজাহাজ। পথে কারিগরি ত্রুটি দেখা দিলে কোয়াঙ্গো প্রদেশের কেনজে জরুরি অবতরণের চেষ্টা করে এটি। তবে সেখানে অবতরণের কোনো সুযোগ না পেয়ে শেষ পর্যন্ত সেটি একটি আবাসিক এলাকায় বিধ্বস্ত হয়।

আফ্রিকার দেশ ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোয় (ডিআর কঙ্গো) একটি সামরিক উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়েছে। এ ঘটনায় দেশটির সামরিক বাহিনীর একাধিক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারাসহ অন্তত ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। খবর আল জাজিরা, এপি, রয়টার্স।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর খবর বলছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় কিকউইট শহর থেকে রাজধানী কিনশাসার উদ্দেশে উড্ডয়ন করে উড়োজাহাজটি। পথে কারিগরি ত্রুটি দেখা দিলে কোয়াঙ্গো প্রদেশের কেনজে জরুরি অবতরণের চেষ্টা করে এটি। তবে সেখানে অবতরণের কোনো সুযোগ না পেয়ে শেষ পর্যন্ত সেটি একটি আবাসিক এলাকায় বিধ্বস্ত হয়।

দুর্ঘটনায় ১৪ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে কঙ্গোর সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র মেজর জেনারেল এফোমি একেঞ্জে জানান, উড়োজাহাজটিতে থাকা সবাই নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১২ জনের মরদেহ এতটাই পুড়ে গেছে যে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পাইলটের মরদেহ বিমানের বাইরে পাওয়া গেছে। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

একই তথ্য জানিয়েছে কোয়াঙ্গোর উপগভর্নর রেমি সাকি বোকিন্ডা বলেন, কেনজেতে অবতরণের মতো কোনো স্থান না থাকায় উড়োজাহাজটি একটি আবাসিক এলাকায় বিধ্বস্ত হয়।

দেশটির সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে বেসামরিক নাগরিক এবং দুই জেনারেলের সঙ্গে সফররত একটি সরকারি প্রতিনিধিদলের সদস্যরাও ছিলেন। এছাড়া আরো কয়েকজন সামরিক সদস্য নিহত হয়েছেন।

মধ্য আফ্রিকার বিশাল ও খনিজসম্পদে সমৃদ্ধ দেশ ডিআর কঙ্গো কয়েক দশক ধরে সংঘাতে জর্জরিত। বিশেষ করে রুয়ান্ডার সীমান্তবর্তী পূর্বাঞ্চলে বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠী মূল্যবান খনিগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিতে লড়াই করছে।

গত বছর থেকে দেশটির সামরিক বাহিনী বেশ কয়েকটি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে লড়াই করছে। এসব গোষ্ঠী ইতোমধ্যে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি শহরের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে।