২০ নন-ক্যাডার কর্মকর্তার পদোন্নতি, বেতন ষষ্ঠ গ্রেডে
নন-ক্যাডার ২০ কর্মকর্তাকে সিনিয়র সহকারী সচিব পদে পদোন্নতি দিয়েছে সরকার। পদোন্নতিপ্রাপ্তদের বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে ষষ্ঠ গ্রেডে।
রোববার (১১ অক্টোবর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
এতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ সচিবালয় (ক্যাডার বহির্ভূত) গেজেটেড কর্মকর্তা এবং নন-গেজেটেড কর্মচারী নিয়োগ বিধিমালা, ২০১৪’ এর বিধি-৫ অনুযায়ী তাদের এ পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’ অনুযায়ী পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা ষষ্ঠ গ্রেডে বেতন পাবেন। এ গ্রেডের বেতন স্কেল ৭১ হাজার থেকে ১ লাখ ৩৪ হাজার টাকা।
পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তারা হলেন- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) সহকারী সচিব হরিচরণ চৌধুরী, বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের সহকারী সচিব মো. কামাল হোসেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব মল্লিকা রানী মণ্ডল, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব মো. হুমায়ূন কবীর, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব মো. মফিজুল ইসলাম, সরকারি কর্মচারী হাসপাতালের সহকারী পরিচালক মো. মাকসুদুর রহমান এবং বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের সহকারী পরিচালক মো. তৈয়াবুর রহমান মোল্যা।
এছাড়া রয়েছেন- শিল্প মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব শংকর কুমার শীল, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব মো. শওকতুল আম্বিয়া, সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. রেজাউল করিম, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব ফরিদা ইয়াসমিন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব রুবিয়া খাতুন, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব সেলিনা আক্তার, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব মো. রাশিদুল করিম এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব শাহানা আক্তার।
পদোন্নতিপ্রাপ্ত অন্য কর্মকর্তারা হলেন- বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের সহকারী সচিব মো. সাইদুর রহমান, জাতীয় উন্নয়ন প্রশাসন একাডেমির সহকারী পরিচালক স্বপ্না রানী সোম, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব দেলোয়ার হোসেন, পরিকল্পনা বিভাগের সহকারী সচিব মেহেরুন্নেছা এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব মো. মহিউদ্দীন শামীম।
পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (সিনিয়র সহকারী সচিব, ক্যাডার বহির্ভূত) হিসেবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে যোগদান করতে হবে। এজন্য তারা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর সরাসরি বা ই-মেইলে যোগদানপত্র পাঠাবেন। তবে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তারা নিজ নিজ বর্তমান কর্মস্থলে দায়িত্ব পালন করবেন বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।




















