Dhaka ০৯:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সংখ্যালঘু সুরক্ষায় বাংলাদেশের কার্যকর পদক্ষেপ চায় ভারত

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক
4 / 100 SEO Score

 

বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতন বন্ধে অন্তর্বর্তী সরকার কার্যকর ও যথাযথ পদক্ষেপ নেবে বলে প্রত্যাশা প্রকাশ করেছে ভারত।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এ প্রত্যাশার কথা জানান মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল। এ সময় তিনি সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের উপযুক্ত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

ব্রিফিংয়ে দুর্গাপূজার প্রাক্কালে বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের দেওয়া একটি সাম্প্রতিক বিবৃতির প্রসঙ্গ তুলে এক সাংবাদিক মুখপাত্রের কাছে ভারত সরকারের অবস্থান জানতে চান। ওই বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছিল, বিগত তিন মাসে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর ওপর হত্যাকাণ্ডসহ অন্তত ১৪১টি নিপীড়নের ঘটনা ঘটেছে এবং এসব ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।

এর জবাবে অতীত বা বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে কোনো ধরনের দোষারোপমূলক মন্তব্য না করে রণধীর জয়সোয়াল বলেন, ‘আমাদের আশা বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে উদ্যোগী হবে।’

একই সংবাদ সম্মেলনে বিমসটেকভুক্ত দেশগুলোর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের অনুপস্থিতি এবং তার পরিবর্তে স্বরাষ্ট্রসচিবের যোগদান নিয়েও প্রশ্ন করা হয়। প্রশ্নকর্তা উল্লেখ করেন, এর আগে বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ব্রিকস সম্মেলনের আউটরিচ বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও তিনি যাননি এবং এবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকেও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটল।

তবে উচ্চপর্যায়ের এই অনুপস্থিতি নিয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকেন রণধীর জয়সোয়াল। তিনি সম্মেলনের সামগ্রিক অগ্রগতির বিষয়টি তুলে ধরে বলেন, ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উদ্বোধনের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলন শেষে ‘দিল্লি ঘোষণাপত্র’ গৃহীত হয়েছে।

সম্মেলনে সন্ত্রাসবাদ, অর্থ পাচার ও মাদক চোরাচালানের মতো আন্তসীমান্ত অপরাধ যৌথভাবে প্রতিরোধে সব সদস্যদেশ একমত হয়েছে। সম্মেলনে বাংলাদেশের সক্রিয় অংশগ্রহণের কথা উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিমসটেক দেশগুলোর অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিষয়ক পারস্পরিক সহযোগিতা আগামীতে আরও জোরদার হবে।

Tag :

Recent Comments

No comments to show.

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

5 × 3 =

About Author Information

সংখ্যালঘু সুরক্ষায় বাংলাদেশের কার্যকর পদক্ষেপ চায় ভারত

Update Time : ০৭:২৫:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
4 / 100 SEO Score

 

বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতন বন্ধে অন্তর্বর্তী সরকার কার্যকর ও যথাযথ পদক্ষেপ নেবে বলে প্রত্যাশা প্রকাশ করেছে ভারত।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এ প্রত্যাশার কথা জানান মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল। এ সময় তিনি সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের উপযুক্ত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

ব্রিফিংয়ে দুর্গাপূজার প্রাক্কালে বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের দেওয়া একটি সাম্প্রতিক বিবৃতির প্রসঙ্গ তুলে এক সাংবাদিক মুখপাত্রের কাছে ভারত সরকারের অবস্থান জানতে চান। ওই বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছিল, বিগত তিন মাসে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর ওপর হত্যাকাণ্ডসহ অন্তত ১৪১টি নিপীড়নের ঘটনা ঘটেছে এবং এসব ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।

এর জবাবে অতীত বা বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে কোনো ধরনের দোষারোপমূলক মন্তব্য না করে রণধীর জয়সোয়াল বলেন, ‘আমাদের আশা বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে উদ্যোগী হবে।’

একই সংবাদ সম্মেলনে বিমসটেকভুক্ত দেশগুলোর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের অনুপস্থিতি এবং তার পরিবর্তে স্বরাষ্ট্রসচিবের যোগদান নিয়েও প্রশ্ন করা হয়। প্রশ্নকর্তা উল্লেখ করেন, এর আগে বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ব্রিকস সম্মেলনের আউটরিচ বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও তিনি যাননি এবং এবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকেও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটল।

তবে উচ্চপর্যায়ের এই অনুপস্থিতি নিয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকেন রণধীর জয়সোয়াল। তিনি সম্মেলনের সামগ্রিক অগ্রগতির বিষয়টি তুলে ধরে বলেন, ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উদ্বোধনের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলন শেষে ‘দিল্লি ঘোষণাপত্র’ গৃহীত হয়েছে।

সম্মেলনে সন্ত্রাসবাদ, অর্থ পাচার ও মাদক চোরাচালানের মতো আন্তসীমান্ত অপরাধ যৌথভাবে প্রতিরোধে সব সদস্যদেশ একমত হয়েছে। সম্মেলনে বাংলাদেশের সক্রিয় অংশগ্রহণের কথা উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিমসটেক দেশগুলোর অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিষয়ক পারস্পরিক সহযোগিতা আগামীতে আরও জোরদার হবে।