Dhaka ০৩:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চীনের মডেলে আধুনিক হচ্ছে বাংলাদেশের ৮ কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

নিজস্ব প্রতিবেদক
8 / 100 SEO Score

 

চীনের কারিগরি শিক্ষার পাঠ্যক্রম, পাঠদান পদ্ধতি ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ মডেল অনুসরণ করে বাংলাদেশের আটটি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আধুনিকায়ন করা হবে। এসব প্রতিষ্ঠানে স্মার্ট শ্রেণিকক্ষ ও আধুনিক প্রশিক্ষণ সুবিধা গড়ে তোলার পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তি ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণ করা হবে।

এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) চীনের তিয়ানজিনে ২০২৬ সালের বিশ্ব কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা উন্নয়ন সম্মেলনে এ যৌথ সমঝোতা স্মারক সই হয়।

বাংলাদেশের পক্ষে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং চীনের পক্ষে দেশটির শিক্ষা উপমন্ত্রী ওয়াং গুয়াংইয়ান সমঝোতা স্মারকে সই করেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দুদেশের সহযোগিতার আওতায় যৌথভাবে ২+২ ও ৩+১ মডেলের কারিগরি শিক্ষাক্রম চালু করা হবে। পাশাপাশি চীনের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে বাংলাদেশি কারিগরি শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং তাদের জন্য বৃত্তির সুযোগ আরও সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এছাড়া বাংলাদেশে যৌথ উদ্যোগে একটি নতুন কারিগরি ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে। চীনের গুয়াংডং, জিয়াংসি ও অন্যান্য প্রদেশের খ্যাতনামা কারিগরি ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো এ সহযোগিতা বাস্তবায়নে অংশীদার হিসেবে কাজ করবে।

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, বাংলাদেশ-চীন সমঝোতা স্মারক এবং বেইজিং অ্যাগ্রিমেন্ট একসঙ্গে দেশের দক্ষতা উন্নয়নে গতি সঞ্চার করবে। বৈশ্বিক কারিগরি শিক্ষার মানদণ্ড ও বাস্তবভিত্তিক দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা তরুণ বাংলাদেশিদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে।

এদিকে, তিয়ানজিন মেইজিয়াং কনভেনশন অ্যান্ড এক্সিবিশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠানে ‘ফ্রেমওয়ার্ক অব ওয়ার্ল্ড ভোকেশনাল অ্যান্ড টেকনিক্যাল এডুকেশন স্ট্যান্ডার্ডস’ বা ‘বেইজিং অ্যাগ্রিমেন্ট’ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়। বাংলাদেশ এ বৈশ্বিক কাঠামোর প্রতি সমর্থন জানিয়েছে।

সম্মেলনে ৪০টির বেশি দেশের শিক্ষামন্ত্রী এবং ১০০টির বেশি দেশের সরকারি প্রতিনিধিদল অংশ নেয়। কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারে এ সম্মেলনে আরও কয়েকটি উদ্যোগ ঘোষণা করা হয়।

বাংলাদেশ ও চীনের এ সহযোগিতা কারিগরি শিক্ষার মানোন্নয়ন, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা এবং দেশের তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেছে উভয়পক্ষ।

 

Recent Comments

No comments to show.

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

2 × four =

About Author Information

চীনের মডেলে আধুনিক হচ্ছে বাংলাদেশের ৮ কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

Update Time : ০৮:৪১:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
8 / 100 SEO Score

 

চীনের কারিগরি শিক্ষার পাঠ্যক্রম, পাঠদান পদ্ধতি ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ মডেল অনুসরণ করে বাংলাদেশের আটটি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আধুনিকায়ন করা হবে। এসব প্রতিষ্ঠানে স্মার্ট শ্রেণিকক্ষ ও আধুনিক প্রশিক্ষণ সুবিধা গড়ে তোলার পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তি ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণ করা হবে।

এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) চীনের তিয়ানজিনে ২০২৬ সালের বিশ্ব কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা উন্নয়ন সম্মেলনে এ যৌথ সমঝোতা স্মারক সই হয়।

বাংলাদেশের পক্ষে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং চীনের পক্ষে দেশটির শিক্ষা উপমন্ত্রী ওয়াং গুয়াংইয়ান সমঝোতা স্মারকে সই করেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দুদেশের সহযোগিতার আওতায় যৌথভাবে ২+২ ও ৩+১ মডেলের কারিগরি শিক্ষাক্রম চালু করা হবে। পাশাপাশি চীনের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে বাংলাদেশি কারিগরি শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং তাদের জন্য বৃত্তির সুযোগ আরও সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এছাড়া বাংলাদেশে যৌথ উদ্যোগে একটি নতুন কারিগরি ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে। চীনের গুয়াংডং, জিয়াংসি ও অন্যান্য প্রদেশের খ্যাতনামা কারিগরি ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো এ সহযোগিতা বাস্তবায়নে অংশীদার হিসেবে কাজ করবে।

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, বাংলাদেশ-চীন সমঝোতা স্মারক এবং বেইজিং অ্যাগ্রিমেন্ট একসঙ্গে দেশের দক্ষতা উন্নয়নে গতি সঞ্চার করবে। বৈশ্বিক কারিগরি শিক্ষার মানদণ্ড ও বাস্তবভিত্তিক দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা তরুণ বাংলাদেশিদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে।

এদিকে, তিয়ানজিন মেইজিয়াং কনভেনশন অ্যান্ড এক্সিবিশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠানে ‘ফ্রেমওয়ার্ক অব ওয়ার্ল্ড ভোকেশনাল অ্যান্ড টেকনিক্যাল এডুকেশন স্ট্যান্ডার্ডস’ বা ‘বেইজিং অ্যাগ্রিমেন্ট’ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়। বাংলাদেশ এ বৈশ্বিক কাঠামোর প্রতি সমর্থন জানিয়েছে।

সম্মেলনে ৪০টির বেশি দেশের শিক্ষামন্ত্রী এবং ১০০টির বেশি দেশের সরকারি প্রতিনিধিদল অংশ নেয়। কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারে এ সম্মেলনে আরও কয়েকটি উদ্যোগ ঘোষণা করা হয়।

বাংলাদেশ ও চীনের এ সহযোগিতা কারিগরি শিক্ষার মানোন্নয়ন, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা এবং দেশের তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেছে উভয়পক্ষ।