পাওনা আদায়ের নামে ‘মামলা-বাণিজ্য’, আল মোস্তফা গ্রুপের বিরুদ্ধে অভিযোগ
ব্যবসায়িক পাওনা আদায়ের নামে একাধিক মামলা, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও পুলিশি হয়রানির অভিযোগ উঠেছে আল মোস্তফা প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং কোম্পানির বিরুদ্ধে। একই চেকের বিপরীতে একাধিক মামলা দায়ের এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নাম ব্যবহার করে ব্যবসায়ীদের চাপে রাখার অভিযোগ করেছেন কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
অভিযোগকারীদের দাবি, পারফেক্ট ফুড, এলিন ফুড, মক্কা মাল্টিলেয়ার ও হক ফুডসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বাণিজ্যিক লেনদেনের বিরোধকে কেন্দ্র করে ধারাবাহিকভাবে মামলা করা হয়েছে। তাঁদের দাবি, প্রকৃত পাওনা প্রায় দুই কোটি টাকা হলেও একই চেককে কেন্দ্র করে আট থেকে ১০ কোটি টাকার মামলা করা হয়েছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে একটি চেকের বিপরীতে তিন থেকে চারটি মামলা দায়েরের অভিযোগও তুলেছেন তাঁরা।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সিআইডি ও ডিবির নাম ব্যবহার করে গ্রেপ্তার ও হয়রানির ভয় দেখানো হয়েছে। সম্প্রতি একটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তাকেও ডিবির মাধ্যমে হয়রানি করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এক চেকে একাধিক মামলা, পুলিশি হয়রানি ও ব্ল্যাকমেইলিংয়ের অভিযোগ; নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি ব্যবসায়ীদের
এ ছাড়া হক ফুডের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় দণ্ডবিধির ৪২০, ৪০৬ ও ৫০৬ ধারায় দায়ের করা একটি মামলার উদ্দেশ্য নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে প্রতিষ্ঠানটি। তাদের দাবি, মামলায় উল্লেখ করা ঘটনার দিন সংশ্লিষ্ট ব্যবস্থাপনা পরিচালক দেশে ছিলেন না। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
আল মোস্তফা গ্রুপের মালিক মোস্তফা কামালের বিরুদ্ধে নদী ভরাট, জমি দখল ও কারখানা নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগও উঠেছে। এসব অভিযোগের পক্ষেও স্বাধীনভাবে যাচাই করা কোনো চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি।
ব্যবসায়ীরা উভয় পক্ষের হিসাবখাতা ও লেনদেনের নথি যাচাই, একই চেকের বিপরীতে দায়ের করা মামলাগুলোর আইনগত পর্যালোচনা এবং পুলিশি হয়রানির অভিযোগ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
আল মোস্তফা প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং কোম্পানির আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও মামলার পক্ষগুলোর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা প্রয়োজন।



















