Dhaka ০১:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে সতর্ক আমির খান

12 / 100 SEO Score

বলিউড সিনেমা ‘পিকে’, ‘তারে জমিন পর’, ‘দঙ্গল’ এবং ‘থ্রি ইডিয়টস’-এ সামাজিক বা মনস্তাত্ত্বিক সচেতনতামূলক বার্তা দিয়েছেন সুপারস্টার আমির খান। সম্প্রতি মুম্বাইয়ে আয়োজিত ‘লোকমত মহারাষ্ট্রিয়ান অফ দ্য ইয়ার’ অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে তিনি বর্তমান প্রজন্মের ডিজিটাল অভ্যাস ও এর নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেন।

নিজের দৈনন্দিন অভ্যাসের পরিবর্তন নিয়ে আক্ষেপ করে আমির খান বলেন, ‘আগে আমি সপ্তাহে অন্তত দু-তিনটি বই পড়তাম। শুটিংয়ে যাওয়ার পথে কিংবা সকালের নাস্তার টেবিলে ব্যস্ততার মাঝেও পড়ার অভ্যাস ছিল। কিন্তু এখন আমি হয় ইউটিউবে সময় নষ্ট করছি, না হয় ইনস্টাগ্রাম রিল দেখছি! সোশ্যাল মিডিয়া এত বেশি ঘাঁটা উচিত নয় জেনেও আমি সেই ফাঁদে পা দিচ্ছি।’তার কথায়, ‘অ্যালগরিদম আপনার পছন্দ অনুযায়ী সব আকর্ষণীয় ভিডিও সামনে নিয়ে আসে। আর আপনিও সেই মোহে হারিয়ে যান। এটা অনেকটা মানুষকে সম্মোহন করার মতো।’

‘আমি সোশ্যাল মিডিয়ার বিরুদ্ধে নই কিন্তু এখন এটি নিয়ে ভাবার সময় এসেছে। বিশ্বের অনেক দেশই শিশুদের সুরক্ষায় ডিজিটাল মাধ্যম নিয়ে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে। কারণ, এভাবে শিশুমন ও মস্তিষ্ক দূষিত হচ্ছে।’তিনি বলেন, ‘অপরাধ বা দুর্নীতি কেবল আমাদের দেশের সমস্যা নয়, এটি মনস্তত্ত্বের একটি স্তর। দুর্নীতি শুধু টাকা-পয়সার হয় না, বরং চিন্তা ও মানসিকতারও হয়। যেমনটা আমরা ইদানীং এপস্টেইন ফাইলস নিয়ে জানতে পারছি।

Tag :

Recent Comments

No comments to show.

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে সতর্ক আমির খান

Update Time : ০১:১৪:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
12 / 100 SEO Score

বলিউড সিনেমা ‘পিকে’, ‘তারে জমিন পর’, ‘দঙ্গল’ এবং ‘থ্রি ইডিয়টস’-এ সামাজিক বা মনস্তাত্ত্বিক সচেতনতামূলক বার্তা দিয়েছেন সুপারস্টার আমির খান। সম্প্রতি মুম্বাইয়ে আয়োজিত ‘লোকমত মহারাষ্ট্রিয়ান অফ দ্য ইয়ার’ অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে তিনি বর্তমান প্রজন্মের ডিজিটাল অভ্যাস ও এর নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেন।

নিজের দৈনন্দিন অভ্যাসের পরিবর্তন নিয়ে আক্ষেপ করে আমির খান বলেন, ‘আগে আমি সপ্তাহে অন্তত দু-তিনটি বই পড়তাম। শুটিংয়ে যাওয়ার পথে কিংবা সকালের নাস্তার টেবিলে ব্যস্ততার মাঝেও পড়ার অভ্যাস ছিল। কিন্তু এখন আমি হয় ইউটিউবে সময় নষ্ট করছি, না হয় ইনস্টাগ্রাম রিল দেখছি! সোশ্যাল মিডিয়া এত বেশি ঘাঁটা উচিত নয় জেনেও আমি সেই ফাঁদে পা দিচ্ছি।’তার কথায়, ‘অ্যালগরিদম আপনার পছন্দ অনুযায়ী সব আকর্ষণীয় ভিডিও সামনে নিয়ে আসে। আর আপনিও সেই মোহে হারিয়ে যান। এটা অনেকটা মানুষকে সম্মোহন করার মতো।’

‘আমি সোশ্যাল মিডিয়ার বিরুদ্ধে নই কিন্তু এখন এটি নিয়ে ভাবার সময় এসেছে। বিশ্বের অনেক দেশই শিশুদের সুরক্ষায় ডিজিটাল মাধ্যম নিয়ে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে। কারণ, এভাবে শিশুমন ও মস্তিষ্ক দূষিত হচ্ছে।’তিনি বলেন, ‘অপরাধ বা দুর্নীতি কেবল আমাদের দেশের সমস্যা নয়, এটি মনস্তত্ত্বের একটি স্তর। দুর্নীতি শুধু টাকা-পয়সার হয় না, বরং চিন্তা ও মানসিকতারও হয়। যেমনটা আমরা ইদানীং এপস্টেইন ফাইলস নিয়ে জানতে পারছি।