Dhaka ০৭:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বৃহস্পতিবার খুলনা যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী টিকে থাকার লড়াইয়ে আজ আফগানদের মুখোমুখি বাংলাদেশ সাত বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে ৭,৯৬৩ শিশুর টঙ্গীতে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৩ যুব উন্নয়নের প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় বিএআরসির সহকারী পরিচালক গ্রেপ্তার কড়া নিরাপত্তায় রূপপুর পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের দ্বিতীয় চালান ইরানের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছানোর সম্ভাবনা কম : রুবিও আইএমএফের সতর্কসংকেত: মূল্যস্ফীতি ও ঋণের চাপে বাংলাদেশের অর্থনীতি অতিরিক্ত ডিআইজির বাসায় মদপার্টি, ৮৫ জনকে কারাদন্ড দিলেন ডিএমপি স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট পদ্মা ও তিস্তায় ব্যারাজ নির্মাণের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

দারুণ ফেরা মোসাদ্দেকের, ভালো শুরু বাংলাদেশের

ক্রীড়া প্রতিবেদক
8 / 100 SEO Score

 

চার বছর পর জাতীয় দলে ফেরা স্মরণীয় করে রাখলেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। দলের বিপদের মুহূর্তে ব্যাট হাতে ৮৬ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছেন তিনি। এতে শক্ত পুঁজি পেয়েছে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়াকে ২৮৫ রানের টার্গেট দিয়েছে টাইগাররা।

মঙ্গলবার (৯ জুন) মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে স্বাগতিকদের ব্যাটিংয়ে পাঠান অজি অধিনায়ক জস ইংলিশ। টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। দলীয় ১০ রানে প্রথম উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। ৫ বলে ৫ রান করে সাজঘরে ফিরে যান সাইফ হাসান।

এরপর আরেক ওপেনার তানজিদ তামিমকে নিয়ে দলের হাল ধরেন নাজমুল হোসেন শান্ত। দুজনে মিলে দ্বিতীয় উইকেটে ৯১ বলে ৯৬ রানের জুটি গড়েন। এরপর তামিম বিদায় নেন ৫৪ রান করে।

এরপর লড়াই চালিয়ে যান শান্ত। তবে চারে নামে লিটনকে নিয়ে বড় পুঁজি গড়ার আগেই ভেঙে যায় জুটি। মাত্র ৭ রান করে বোলারের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরের পথ ধরেন তিনি। এর মাঝেই ক্যারিয়ারের দ্বাদশ ফিফটির দেখা পান। অর্ধশতক করে শান্ত রানের গতি বাড়াতে চাইলেও সেটি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ৬৭ রান করে ডাগআউটে ফিরেছেন এই ব্যাটার।

আচমকা চার উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে বাংলাদেশ। এরপর ইনিংস বড় করার দায়িত্ব নেন তাওহীদ হৃদয় এবং মোসাদ্দেক হোসেন। ৪ বছর পর ওয়ানডে দলে খেলা মোসাদ্দেক নিজেকে চেনাতে থাকেন নতুনভাবে। হৃদয়কে নিয়ে ৭৫ রানের জুটি গড়ে তোলেন।

মোসাদ্দেক শুরু থেকে আক্রমণাত্মক হলেও হৃদয় ছিলেন ধীরগতির। ৩১ রানের ইনিংস খেলতে ৫১ বল খেলেছেন তাওহীদ হৃদয়। এরপর ব্যাট হাতে নামা মেহেদী হাসান মিরাজ এবং তানভীর ইসলামও বলার মতো কিছু করতে পারেননি।

মিডলঅর্ডারের ব্যর্থতার দিনে একাই লড়াই করেছেন মোসাদ্দেক। ক্যারিয়ারের চতুর্থ ফিফটির দিনে খেলেছেন ক্যারিয়ারসেরা ইনিংসও। নির্ধারিত ওভার শেষ হওয়ার আগে ৭০ বলে ৮৬ রান করে অপরাজিত থাকেন এই ব্যাটার। এর আগে ওয়ানডে ক্যারিয়ারে সর্বোচ্চ ৫২ রান করেছিলেন তিনি।

মোসাদ্দেকের সঙ্গে দারুণ সঙ্গ দিয়েছেন লোয়ারঅর্ডারে নামা তাসকিন আহমেদ। শেষ বলে আউট হওয়ার আগে ১৬ বলে ২০ রান রান করেছেন তিনি। টপঅর্ডার ও লোয়ারঅর্ডারের দৃঢ়তায় শেষ পর্যন্ত ৮ উইকেট হারিয়ে ২৮৪ রান সংগ্রহ করে টাইগাররা।

 

Recent Comments

No comments to show.

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

2 × 1 =

About Author Information

দারুণ ফেরা মোসাদ্দেকের, ভালো শুরু বাংলাদেশের

Update Time : ০৯:৫২:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬
8 / 100 SEO Score

 

চার বছর পর জাতীয় দলে ফেরা স্মরণীয় করে রাখলেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। দলের বিপদের মুহূর্তে ব্যাট হাতে ৮৬ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছেন তিনি। এতে শক্ত পুঁজি পেয়েছে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়াকে ২৮৫ রানের টার্গেট দিয়েছে টাইগাররা।

মঙ্গলবার (৯ জুন) মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে স্বাগতিকদের ব্যাটিংয়ে পাঠান অজি অধিনায়ক জস ইংলিশ। টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। দলীয় ১০ রানে প্রথম উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। ৫ বলে ৫ রান করে সাজঘরে ফিরে যান সাইফ হাসান।

এরপর আরেক ওপেনার তানজিদ তামিমকে নিয়ে দলের হাল ধরেন নাজমুল হোসেন শান্ত। দুজনে মিলে দ্বিতীয় উইকেটে ৯১ বলে ৯৬ রানের জুটি গড়েন। এরপর তামিম বিদায় নেন ৫৪ রান করে।

এরপর লড়াই চালিয়ে যান শান্ত। তবে চারে নামে লিটনকে নিয়ে বড় পুঁজি গড়ার আগেই ভেঙে যায় জুটি। মাত্র ৭ রান করে বোলারের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরের পথ ধরেন তিনি। এর মাঝেই ক্যারিয়ারের দ্বাদশ ফিফটির দেখা পান। অর্ধশতক করে শান্ত রানের গতি বাড়াতে চাইলেও সেটি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ৬৭ রান করে ডাগআউটে ফিরেছেন এই ব্যাটার।

আচমকা চার উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে বাংলাদেশ। এরপর ইনিংস বড় করার দায়িত্ব নেন তাওহীদ হৃদয় এবং মোসাদ্দেক হোসেন। ৪ বছর পর ওয়ানডে দলে খেলা মোসাদ্দেক নিজেকে চেনাতে থাকেন নতুনভাবে। হৃদয়কে নিয়ে ৭৫ রানের জুটি গড়ে তোলেন।

মোসাদ্দেক শুরু থেকে আক্রমণাত্মক হলেও হৃদয় ছিলেন ধীরগতির। ৩১ রানের ইনিংস খেলতে ৫১ বল খেলেছেন তাওহীদ হৃদয়। এরপর ব্যাট হাতে নামা মেহেদী হাসান মিরাজ এবং তানভীর ইসলামও বলার মতো কিছু করতে পারেননি।

মিডলঅর্ডারের ব্যর্থতার দিনে একাই লড়াই করেছেন মোসাদ্দেক। ক্যারিয়ারের চতুর্থ ফিফটির দিনে খেলেছেন ক্যারিয়ারসেরা ইনিংসও। নির্ধারিত ওভার শেষ হওয়ার আগে ৭০ বলে ৮৬ রান করে অপরাজিত থাকেন এই ব্যাটার। এর আগে ওয়ানডে ক্যারিয়ারে সর্বোচ্চ ৫২ রান করেছিলেন তিনি।

মোসাদ্দেকের সঙ্গে দারুণ সঙ্গ দিয়েছেন লোয়ারঅর্ডারে নামা তাসকিন আহমেদ। শেষ বলে আউট হওয়ার আগে ১৬ বলে ২০ রান রান করেছেন তিনি। টপঅর্ডার ও লোয়ারঅর্ডারের দৃঢ়তায় শেষ পর্যন্ত ৮ উইকেট হারিয়ে ২৮৪ রান সংগ্রহ করে টাইগাররা।