ইভিডেন্স বেইসড মেডিসিনে ২৬৯ চিকিৎসক প্রশিক্ষিত
রোগীদের চিকিৎসা ব্যয় কমানো, বিজ্ঞানভিত্তিক ও সঠিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা এবং চিকিৎসা শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) ২৬৯ জন ফ্যাকাল্টি সদস্য ও সিনিয়র চিকিৎসককে ইভিডেন্স বেইসড মেডিসিন (ইবিএম) বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি)-এর উদ্যোগে ১০টি ব্যাচে এ প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। সোমবার শহীদ ডা. মিল্টন হলে ১০ম ব্যাচের তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী শিক্ষকদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ, উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ডা. মো. নজরুল ইসলাম, উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইকিউএসি পরিচালক অধ্যাপক ডা. নুরুন নাহার খানম।
বক্তারা বলেন, ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিসে ইভিডেন্স বেইসড মেডিসিনের গুরুত্ব অপরিসীম। রোগীর অধিকার, চাহিদা ও সর্বোত্তম চিকিৎসা নিশ্চিত করতে চিকিৎসকদের প্রমাণভিত্তিক জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনের বিকল্প নেই। গবেষণা, চিকিৎসাসেবা ও শিক্ষা কার্যক্রমের প্রতিটি স্তরে প্রমাণভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ কার্যকর করা গেলে একটি দক্ষ, জবাবদিহিমূলক ও জনআস্থাভিত্তিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
প্রশিক্ষণে পিকো ফ্রেমওয়ার্ক, মেডিক্যাল অডিটের গুরুত্ব এবং ক্লিনিক্যাল অডিট সাইকেলসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। উল্লেখ্য, প্রমাণভিত্তিক চিকিৎসা চর্চাকে উৎসাহিত করতে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় বিএমইউতে প্রথমবারের মতো ‘ওয়ার্ল্ড এভিডেন্স-বেইসড হেলথকেয়ার ডে’ উদযাপন করা হয়েছে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে ‘এভিডেন্স অ্যাম্বাসেডর’ খেতাব অর্জন করেছে।




















