Dhaka ০৯:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সব ধর্মের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে দেশ গড়ার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ড: গ্রেপ্তারের আগে ফেসবুকে যে আক্ষেপের কথা লিখেছিলেন নজরুল ইসলামে যাদের সঙ্গে বিবাহ বন্ধন হারাম মণ্ডপ পরিদর্শনে সৈয়দপুর পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী আর্জেন্টিনার কাছে হার: রেফারির সমালোচনা করায় মিশরের কোচসহ তিনজন নিষিদ্ধ ইসরায়েলে নির্বাচনে নেতানিয়াহুর ভাগ্য নির্ধারণ করবে মুসলিম ভোটাররা টুপটুপ কর্তৃপক্ষের চরম অবহেলায় প্রাণ হারায় ১০ পর্যটক : পুলিশ ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে ওঠার সমীকরণ, কী করতে হবে বাংলাদেশকে আসামে দুই দিনে উচ্ছেদ ১১০০ বাঙালি মুসলিম পরিবার, গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ১০টি মসজিদ নাটোরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষ: নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৪

যুদ্ধবিরতি ভেঙে লেবাননে রক্তক্ষয়ী হামলা, নিহত ২৭

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
7 / 100 SEO Score

 

লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত ২৭ জন নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সূত্র ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, হামলায় আরও বহু মানুষ আহত হয়েছেন। সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতির মধ্যেই এ হামলার ঘটনা ঘটেছে, যা অঞ্চলজুড়ে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।

ইসরায়েলি বাহিনী দাবি করেছে, হামলার লক্ষ্য ছিল হিজবুল্লাহর বিভিন্ন অবস্থান ও অবকাঠামো। অন্যদিকে হিজবুল্লাহ ও লেবাননের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে বেসামরিক এলাকাতেও হামলা চালিয়েছে।

চ্যানেল ১২ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সমন্বয়ের পর এই নির্দেশনা জারি করা হয়। পরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে সাংবাদিকদের কাছে পাঠানো এক বিবৃতিতে এক ‘জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা’ জানান, নেতানিয়াহু জোর দিয়ে বলেছেন যে ইসরায়েল তার উত্তর সীমান্ত রক্ষার প্রয়োজন যতদিন থাকবে, ততদিন দক্ষিণ লেবাননে অবস্থান করবে। ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, নেতানিয়াহু আইডিএফকে নির্দেশ দিয়েছেন হিজবুল্লাহর যেকোনো হামলার জোরালো জবাব দিতে এবং আমাদের বাহিনীর বিরুদ্ধে থাকা হুমকিগুলো দূর করতে পদক্ষেপ নিতে। বিবৃতিতে বলা হয়, গত দুই দিনে হিজবুল্লাহর হামলার জবাবে আইডিএফ ৩০০টি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে এবং প্রায় ১০০ জনকে হত্যা করেছে। ইসরায়েলি কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেন, হিজবুল্লাহ যদি আবার আমাদের ওপর হামলা চালায়, তবে আমরা আরও কঠোরভাবে পাল্টা আঘাত হানব। আইডিএফ তাৎক্ষণিকভাবে হিজবুল্লাহর হামলায় নিজেদের কোনো হতাহতের তথ্য প্রকাশ করেনি। তবে তারা দাবি করেছে যে এসব হামলা ‘যুদ্ধবিরতি চুক্তির ধারাবাহিক লঙ্ঘন’।

ইসরায়েল গত শনিবার বিকাল পর্যন্ত দক্ষিণ ও পূর্ব লেবাননে ধারাবাহিক বিমান হামলা চালিয়েছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী (আইডিএফ) দাবি করেছে, তারা হিজবুল্লাহকে লক্ষ্য করে এই অভিযান পরিচালনা করেছে। তাদের অভিযোগ, ইরান-সমর্থিত এই সশস্ত্র গোষ্ঠী যুদ্ধবিরতির একদিন পরই ইসরায়েলি সেনাদের ওপর হামলা চালিয়ে চুক্তি ভঙ্গ করেছে। লেবাননের গণমাধ্যম ও জরুরি সেবাকর্মীদের তথ্য অনুযায়ী, এসব হামলায় অন্তত ২৭ জন নিহত এবং ২৬ জন আহত হয়েছে। আইডিএফ জানায়, তারা রাজনৈতিক নেতৃত্বের নির্দেশনা অনুযায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তি মেনে চলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একজন সামরিক কর্মকর্তা বলেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেয়ামিন নেতানিয়াহু এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ আইডিএফকে লেবাননে ‘গুলি বন্ধ রাখার’ নির্দেশ দিয়েছেন। চ্যানেল ১২ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সমন্বয়ের পর এই নির্দেশনা জারি করা হয়। পরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে সাংবাদিকদের কাছে পাঠানো এক বিবৃতিতে এক ‘জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা’ জানান, নেতানিয়াহু জোর দিয়ে বলেছেন যে ইসরায়েল তার উত্তর সীমান্ত রক্ষার প্রয়োজন যতদিন থাকবে, ততদিন দক্ষিণ লেবাননে অবস্থান করবে। ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, নেতানিয়াহু আইডিএফকে নির্দেশ দিয়েছেন হিজবুল্লাহর যেকোনো হামলার জোরালো জবাব দিতে এবং আমাদের বাহিনীর বিরুদ্ধে থাকা হুমকিগুলো দূর করতে পদক্ষেপ নিতে। বিবৃতিতে বলা হয়, গত দুই দিনে হিজবুল্লাহর হামলার জবাবে আইডিএফ ৩০০টি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে এবং প্রায় ১০০ জনকে হত্যা করেছে। ইসরায়েলি কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেন, হিজবুল্লাহ যদি আবার আমাদের ওপর হামলা চালায়, তবে আমরা আরও কঠোরভাবে পাল্টা আঘাত হানব। আইডিএফ তাৎক্ষণিকভাবে হিজবুল্লাহর হামলায় নিজেদের কোনো হতাহতের তথ্য প্রকাশ করেনি। তবে তারা দাবি করেছে যে এসব হামলা ‘যুদ্ধবিরতি চুক্তির ধারাবাহিক লঙ্ঘন’।

ইসরায়েল গত শনিবার বিকাল পর্যন্ত দক্ষিণ ও পূর্ব লেবাননে ধারাবাহিক বিমান হামলা চালিয়েছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী (আইডিএফ) দাবি করেছে, তারা হিজবুল্লাহকে লক্ষ্য করে এই অভিযান পরিচালনা করেছে। তাদের অভিযোগ, ইরান-সমর্থিত এই সশস্ত্র গোষ্ঠী যুদ্ধবিরতির একদিন পরই ইসরায়েলি সেনাদের ওপর হামলা চালিয়ে চুক্তি ভঙ্গ করেছে। লেবাননের গণমাধ্যম ও জরুরি সেবাকর্মীদের তথ্য অনুযায়ী, এসব হামলায় অন্তত ২৭ জন নিহত এবং ২৬ জন আহত হয়েছে।

আইডিএফ জানায়, তারা রাজনৈতিক নেতৃত্বের নির্দেশনা অনুযায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তি মেনে চলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একজন সামরিক কর্মকর্তা বলেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেয়ামিন নেতানিয়াহু এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ আইডিএফকে লেবাননে ‘গুলি বন্ধ রাখার’ নির্দেশ দিয়েছেন।

চ্যানেল ১২ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সমন্বয়ের পর এই নির্দেশনা জারি করা হয়।

পরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে সাংবাদিকদের কাছে পাঠানো এক বিবৃতিতে এক ‘জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা’ জানান, নেতানিয়াহু জোর দিয়ে বলেছেন যে ইসরায়েল তার উত্তর সীমান্ত রক্ষার প্রয়োজন যতদিন থাকবে, ততদিন দক্ষিণ লেবাননে অবস্থান করবে।

ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, নেতানিয়াহু আইডিএফকে নির্দেশ দিয়েছেন হিজবুল্লাহর যেকোনো হামলার জোরালো জবাব দিতে এবং আমাদের বাহিনীর বিরুদ্ধে থাকা হুমকিগুলো দূর করতে পদক্ষেপ নিতে।

বিবৃতিতে বলা হয়, গত দুই দিনে হিজবুল্লাহর হামলার জবাবে আইডিএফ ৩০০টি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে এবং প্রায় ১০০ জনকে হত্যা করেছে। ইসরায়েলি কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেন, হিজবুল্লাহ যদি আবার আমাদের ওপর হামলা চালায়, তবে আমরা আরও কঠোরভাবে পাল্টা আঘাত হানব।

আইডিএফ তাৎক্ষণিকভাবে হিজবুল্লাহর হামলায় নিজেদের কোনো হতাহতের তথ্য প্রকাশ করেনি। তবে তারা দাবি করেছে যে এসব হামলা ‘যুদ্ধবিরতি চুক্তির ধারাবাহিক লঙ্ঘন’।

Recent Comments

No comments to show.

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

11 − 5 =

About Author Information

যুদ্ধবিরতি ভেঙে লেবাননে রক্তক্ষয়ী হামলা, নিহত ২৭

Update Time : ০৫:১৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
7 / 100 SEO Score

 

লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত ২৭ জন নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সূত্র ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, হামলায় আরও বহু মানুষ আহত হয়েছেন। সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতির মধ্যেই এ হামলার ঘটনা ঘটেছে, যা অঞ্চলজুড়ে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।

ইসরায়েলি বাহিনী দাবি করেছে, হামলার লক্ষ্য ছিল হিজবুল্লাহর বিভিন্ন অবস্থান ও অবকাঠামো। অন্যদিকে হিজবুল্লাহ ও লেবাননের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে বেসামরিক এলাকাতেও হামলা চালিয়েছে।

চ্যানেল ১২ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সমন্বয়ের পর এই নির্দেশনা জারি করা হয়। পরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে সাংবাদিকদের কাছে পাঠানো এক বিবৃতিতে এক ‘জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা’ জানান, নেতানিয়াহু জোর দিয়ে বলেছেন যে ইসরায়েল তার উত্তর সীমান্ত রক্ষার প্রয়োজন যতদিন থাকবে, ততদিন দক্ষিণ লেবাননে অবস্থান করবে। ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, নেতানিয়াহু আইডিএফকে নির্দেশ দিয়েছেন হিজবুল্লাহর যেকোনো হামলার জোরালো জবাব দিতে এবং আমাদের বাহিনীর বিরুদ্ধে থাকা হুমকিগুলো দূর করতে পদক্ষেপ নিতে। বিবৃতিতে বলা হয়, গত দুই দিনে হিজবুল্লাহর হামলার জবাবে আইডিএফ ৩০০টি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে এবং প্রায় ১০০ জনকে হত্যা করেছে। ইসরায়েলি কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেন, হিজবুল্লাহ যদি আবার আমাদের ওপর হামলা চালায়, তবে আমরা আরও কঠোরভাবে পাল্টা আঘাত হানব। আইডিএফ তাৎক্ষণিকভাবে হিজবুল্লাহর হামলায় নিজেদের কোনো হতাহতের তথ্য প্রকাশ করেনি। তবে তারা দাবি করেছে যে এসব হামলা ‘যুদ্ধবিরতি চুক্তির ধারাবাহিক লঙ্ঘন’।

ইসরায়েল গত শনিবার বিকাল পর্যন্ত দক্ষিণ ও পূর্ব লেবাননে ধারাবাহিক বিমান হামলা চালিয়েছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী (আইডিএফ) দাবি করেছে, তারা হিজবুল্লাহকে লক্ষ্য করে এই অভিযান পরিচালনা করেছে। তাদের অভিযোগ, ইরান-সমর্থিত এই সশস্ত্র গোষ্ঠী যুদ্ধবিরতির একদিন পরই ইসরায়েলি সেনাদের ওপর হামলা চালিয়ে চুক্তি ভঙ্গ করেছে। লেবাননের গণমাধ্যম ও জরুরি সেবাকর্মীদের তথ্য অনুযায়ী, এসব হামলায় অন্তত ২৭ জন নিহত এবং ২৬ জন আহত হয়েছে। আইডিএফ জানায়, তারা রাজনৈতিক নেতৃত্বের নির্দেশনা অনুযায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তি মেনে চলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একজন সামরিক কর্মকর্তা বলেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেয়ামিন নেতানিয়াহু এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ আইডিএফকে লেবাননে ‘গুলি বন্ধ রাখার’ নির্দেশ দিয়েছেন। চ্যানেল ১২ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সমন্বয়ের পর এই নির্দেশনা জারি করা হয়। পরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে সাংবাদিকদের কাছে পাঠানো এক বিবৃতিতে এক ‘জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা’ জানান, নেতানিয়াহু জোর দিয়ে বলেছেন যে ইসরায়েল তার উত্তর সীমান্ত রক্ষার প্রয়োজন যতদিন থাকবে, ততদিন দক্ষিণ লেবাননে অবস্থান করবে। ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, নেতানিয়াহু আইডিএফকে নির্দেশ দিয়েছেন হিজবুল্লাহর যেকোনো হামলার জোরালো জবাব দিতে এবং আমাদের বাহিনীর বিরুদ্ধে থাকা হুমকিগুলো দূর করতে পদক্ষেপ নিতে। বিবৃতিতে বলা হয়, গত দুই দিনে হিজবুল্লাহর হামলার জবাবে আইডিএফ ৩০০টি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে এবং প্রায় ১০০ জনকে হত্যা করেছে। ইসরায়েলি কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেন, হিজবুল্লাহ যদি আবার আমাদের ওপর হামলা চালায়, তবে আমরা আরও কঠোরভাবে পাল্টা আঘাত হানব। আইডিএফ তাৎক্ষণিকভাবে হিজবুল্লাহর হামলায় নিজেদের কোনো হতাহতের তথ্য প্রকাশ করেনি। তবে তারা দাবি করেছে যে এসব হামলা ‘যুদ্ধবিরতি চুক্তির ধারাবাহিক লঙ্ঘন’।

ইসরায়েল গত শনিবার বিকাল পর্যন্ত দক্ষিণ ও পূর্ব লেবাননে ধারাবাহিক বিমান হামলা চালিয়েছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী (আইডিএফ) দাবি করেছে, তারা হিজবুল্লাহকে লক্ষ্য করে এই অভিযান পরিচালনা করেছে। তাদের অভিযোগ, ইরান-সমর্থিত এই সশস্ত্র গোষ্ঠী যুদ্ধবিরতির একদিন পরই ইসরায়েলি সেনাদের ওপর হামলা চালিয়ে চুক্তি ভঙ্গ করেছে। লেবাননের গণমাধ্যম ও জরুরি সেবাকর্মীদের তথ্য অনুযায়ী, এসব হামলায় অন্তত ২৭ জন নিহত এবং ২৬ জন আহত হয়েছে।

আইডিএফ জানায়, তারা রাজনৈতিক নেতৃত্বের নির্দেশনা অনুযায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তি মেনে চলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একজন সামরিক কর্মকর্তা বলেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেয়ামিন নেতানিয়াহু এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ আইডিএফকে লেবাননে ‘গুলি বন্ধ রাখার’ নির্দেশ দিয়েছেন।

চ্যানেল ১২ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সমন্বয়ের পর এই নির্দেশনা জারি করা হয়।

পরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে সাংবাদিকদের কাছে পাঠানো এক বিবৃতিতে এক ‘জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা’ জানান, নেতানিয়াহু জোর দিয়ে বলেছেন যে ইসরায়েল তার উত্তর সীমান্ত রক্ষার প্রয়োজন যতদিন থাকবে, ততদিন দক্ষিণ লেবাননে অবস্থান করবে।

ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, নেতানিয়াহু আইডিএফকে নির্দেশ দিয়েছেন হিজবুল্লাহর যেকোনো হামলার জোরালো জবাব দিতে এবং আমাদের বাহিনীর বিরুদ্ধে থাকা হুমকিগুলো দূর করতে পদক্ষেপ নিতে।

বিবৃতিতে বলা হয়, গত দুই দিনে হিজবুল্লাহর হামলার জবাবে আইডিএফ ৩০০টি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে এবং প্রায় ১০০ জনকে হত্যা করেছে। ইসরায়েলি কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেন, হিজবুল্লাহ যদি আবার আমাদের ওপর হামলা চালায়, তবে আমরা আরও কঠোরভাবে পাল্টা আঘাত হানব।

আইডিএফ তাৎক্ষণিকভাবে হিজবুল্লাহর হামলায় নিজেদের কোনো হতাহতের তথ্য প্রকাশ করেনি। তবে তারা দাবি করেছে যে এসব হামলা ‘যুদ্ধবিরতি চুক্তির ধারাবাহিক লঙ্ঘন’।