Dhaka ০৭:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঈদে এতিম শিশুদের মুখে হাসি ফোটালেন প্রশাসক রিটন দম্পতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
8 / 100 SEO Score

 

রাজশাহীর ছোটমনি নিবাসে এবার ঈদের দিনটি ছিল ভিন্নমাত্রার মানবিকতায় ভরা। শূন্য থেকে সাত বছর বয়সী এতিম শিশুদের এই আশ্রয়কেন্দ্রে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে হাজির হন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও তরুণ রাজনীতিবিদ মাহফুজুর রহমান রিটন। সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্ত্রী নাফিজা রহমান।

ঈদের দিন দুপুরে প্রশাসক রিটনের গাড়িবহর এসে পৌঁছায় ছোটমনি নিবাসে। এ সময় সঙ্গে আনা হয় বাড়িতে রান্না করা পোলাও, মাংস, ফিরনি, ফলমূলসহ নানা খাবার। এতিম শিশুদের কাছে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন রিটন দম্পতি।

শিশুদের কাছে গিয়ে স্নেহভরে জড়িয়ে ধরেন তারা। শিশুদের সঙ্গে সময় কাটান, কথা বলেন এবং নিজ হাতে খাবার পরিবেশন করে খাইয়ে দেন। দীর্ঘদিন পর বাবা-মায়ের স্নেহের ছোঁয়া পেয়ে শিশুরাও ছিল উচ্ছ্বসিত ও আবেগাপ্লুত।

খাওয়াদাওয়ার পর শিশুদের হাতে নতুন ঈদের পোশাক তুলে দেন রিটন দম্পতি। পুরো আশ্রয়কেন্দ্রে তখন সৃষ্টি হয় আনন্দঘন পরিবেশ।

শিশুদের কক্ষ পরিদর্শনের সময় মাত্র দুই মাস বয়সী এক শিশুকে দেখে আবেগঘন মুহূর্তের সৃষ্টি হয়। শিশুটিকে কোলে তুলে নেন নাফিজা রহমান। মায়ের মমতায় শিশুটিকে আগলে রাখেন তিনি। এমনকি শিশুটির দায়িত্ব নেওয়ার আগ্রহও প্রকাশ করেন। উপস্থিত অনেকেই এ দৃশ্য দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

ছোটমনি নিবাসের উপ-তত্ত্বাবধায়ক রেকসোনা খাতুন বলেন, “চাকরি জীবনে এই প্রথম কোনো জনপ্রতিনিধিকে এতিম শিশুদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে দেখলাম। এটি শিশুদের মানসিক বিকাশে অনন্য মানবিক দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

Recent Comments

No comments to show.

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

ঈদে এতিম শিশুদের মুখে হাসি ফোটালেন প্রশাসক রিটন দম্পতি

Update Time : ০৩:৫১:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬
8 / 100 SEO Score

 

রাজশাহীর ছোটমনি নিবাসে এবার ঈদের দিনটি ছিল ভিন্নমাত্রার মানবিকতায় ভরা। শূন্য থেকে সাত বছর বয়সী এতিম শিশুদের এই আশ্রয়কেন্দ্রে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে হাজির হন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও তরুণ রাজনীতিবিদ মাহফুজুর রহমান রিটন। সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্ত্রী নাফিজা রহমান।

ঈদের দিন দুপুরে প্রশাসক রিটনের গাড়িবহর এসে পৌঁছায় ছোটমনি নিবাসে। এ সময় সঙ্গে আনা হয় বাড়িতে রান্না করা পোলাও, মাংস, ফিরনি, ফলমূলসহ নানা খাবার। এতিম শিশুদের কাছে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন রিটন দম্পতি।

শিশুদের কাছে গিয়ে স্নেহভরে জড়িয়ে ধরেন তারা। শিশুদের সঙ্গে সময় কাটান, কথা বলেন এবং নিজ হাতে খাবার পরিবেশন করে খাইয়ে দেন। দীর্ঘদিন পর বাবা-মায়ের স্নেহের ছোঁয়া পেয়ে শিশুরাও ছিল উচ্ছ্বসিত ও আবেগাপ্লুত।

খাওয়াদাওয়ার পর শিশুদের হাতে নতুন ঈদের পোশাক তুলে দেন রিটন দম্পতি। পুরো আশ্রয়কেন্দ্রে তখন সৃষ্টি হয় আনন্দঘন পরিবেশ।

শিশুদের কক্ষ পরিদর্শনের সময় মাত্র দুই মাস বয়সী এক শিশুকে দেখে আবেগঘন মুহূর্তের সৃষ্টি হয়। শিশুটিকে কোলে তুলে নেন নাফিজা রহমান। মায়ের মমতায় শিশুটিকে আগলে রাখেন তিনি। এমনকি শিশুটির দায়িত্ব নেওয়ার আগ্রহও প্রকাশ করেন। উপস্থিত অনেকেই এ দৃশ্য দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

ছোটমনি নিবাসের উপ-তত্ত্বাবধায়ক রেকসোনা খাতুন বলেন, “চাকরি জীবনে এই প্রথম কোনো জনপ্রতিনিধিকে এতিম শিশুদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে দেখলাম। এটি শিশুদের মানসিক বিকাশে অনন্য মানবিক দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।