Dhaka ০৮:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কাঁচাবাজারে সবজি-মুরগির দামে ঊর্ধ্বগতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
12 / 100 SEO Score

 

টানা কয়েক দিনের বৃষ্টি ও সরবরাহ সংকটের প্রভাবে রাজধানীর কাঁচাবাজারে ফের ঊর্ধ্বমুখী নিত্যপণ্যের দাম। প্রায় সব ধরনের শাক-সবজির পাশাপাশি ব্রয়লারসহ ফার্মের বিভিন্ন ধরনের মুরগির দাম কেজিপ্রতি ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এতে বাড়তি চাপে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) শেওড়াপাড়া ও তালতলা বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রায় সব ধরনের সবজির দাম কেজিপ্রতি ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বর্তমানে করলা বিক্রি হচ্ছে ৭০-৮০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০-৮০ টাকা, পটল ৬০-৮০ টাকা, কচুরমুখী ১০০-১২০ টাকা, বরবটি ৮০-১০০ টাকা এবং কচুর লতি ৮০-১০০ টাকা কেজি দরে। এছাড়া বেগুনের দাম প্রকারভেদে কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে ১০০-১৪০ টাকায় পৌঁছেছে। চিচিঙ্গা ৮০ টাকা, সজনা ১৮০-২০০ টাকা, হাইব্রিড ধুন্দল ৬০ টাকা, টমেটো ১৮০-২২০ টাকা ও মুলা ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে, ফুলকপি প্রতিটি ৬০-৭০ টাকা, বাঁধাকপি ৬০ টাকা এবং লাউ ৬০–৮০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

রাজধানীর বাজারগুলোতে কাঁচামরিচের দাম কেজিতে ১৬০ থেকে ২০০ টাকায় উঠেছে। পাশাপাশি পেঁপে ও মিষ্টি কুমড়া ৫০ টাকা, দেশি শসা ১২০ টাকা এবং হাইব্রিড শসা ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ৩০ টাকায়। এছাড়া দেশি ধনেপাতা ৩০০ টাকা, হাইব্রিড ধনেপাতা ২২০ টাকা, কাঁচা কলা প্রতি হালি ৪০ টাকা, চাল কুমড়া ৬০ থেকে ৮০ টাকা এবং ক্যাপসিকাম ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

অন্যদিকে, গত সপ্তাহের তুলনায় সব ধরনের মুরগির দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে। বর্তমানে সোনালি কক মুরগি ১০ টাকা বেড়ে কেজি ৩৪০ টাকা, সোনালি হাইব্রিড ৩১০ টাকা, লাল লেয়ার ৩৫০ টাকা, ব্রয়লার ১৮০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৭৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সব ধরনের শাকের দাম বেড়েছে। লাল শাক আঁটিতে ১০ টাকা বেড়ে ২৫ টাকা, লাউ শাক আঁটি ৫০ টাকা, কলমি শাক ২ আঁটি ৪০ টাকা, পুঁই শাক ৪০ টাকা ও ডাটা শাক দুই আঁটি ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

আলু কেজিপ্রতি ২৫ থেকে ৩০ টাকা এবং দেশি পেঁয়াজ ৫ টাকা বেড়ে ৪৫ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাংসের বাজারে গরুর মাংসের কেজি ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা এবং খাসির মাংস ১ হাজার ৩০০ টাকা। অন্যদিকে, ইলিশের বাজারেও উচ্চমূল্য বজায় রয়েছে। ৩০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ প্রতি কেজি ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা এবং ৫০০ থেকে ৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

বাজারগুলোতে এক কেজি শিং মাছ চাষের (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৬০০ টাকা, দেশি শিং ১২০০ থেকে ১৪০০ টাকা, প্রতিকেজি রুই মাছের দাম বেড়ে (আকারভেদে) ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, দেশি মাগুর ৯০০ থেকে ১২০০ টাকা, মৃগেল ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, চাষের পাঙ্গাস ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, চিংড়ি ৮০০ থেকে ১৪০০ টাকা, বোয়াল ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, বড় কাতল ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, পোয়া ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, পাবদা ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০ টাকা, কই ২০০ থেকে ২২০ টাকা, মলা ৫০০ টাকা, বাতাসি টেংরা ১৪০০ টাকা, টেংরা ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা, কাচকি ৪০০ টাকা ও পাঁচ মিশালি মাছ ২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে এক ডজন মুরগির লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা, হাঁসের ডিম এক ডজন ১৮০ টাকা, দেশি মুরগির ডিমের হালি ১০০ টাকা এবং সোনালি কক মুরগির ডিমের হালি ৭০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

Recent Comments

No comments to show.

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

কাঁচাবাজারে সবজি-মুরগির দামে ঊর্ধ্বগতি

Update Time : ০৬:৪০:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
12 / 100 SEO Score

 

টানা কয়েক দিনের বৃষ্টি ও সরবরাহ সংকটের প্রভাবে রাজধানীর কাঁচাবাজারে ফের ঊর্ধ্বমুখী নিত্যপণ্যের দাম। প্রায় সব ধরনের শাক-সবজির পাশাপাশি ব্রয়লারসহ ফার্মের বিভিন্ন ধরনের মুরগির দাম কেজিপ্রতি ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এতে বাড়তি চাপে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।

শুক্রবার (১৭ জুলাই) শেওড়াপাড়া ও তালতলা বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রায় সব ধরনের সবজির দাম কেজিপ্রতি ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বর্তমানে করলা বিক্রি হচ্ছে ৭০-৮০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০-৮০ টাকা, পটল ৬০-৮০ টাকা, কচুরমুখী ১০০-১২০ টাকা, বরবটি ৮০-১০০ টাকা এবং কচুর লতি ৮০-১০০ টাকা কেজি দরে। এছাড়া বেগুনের দাম প্রকারভেদে কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে ১০০-১৪০ টাকায় পৌঁছেছে। চিচিঙ্গা ৮০ টাকা, সজনা ১৮০-২০০ টাকা, হাইব্রিড ধুন্দল ৬০ টাকা, টমেটো ১৮০-২২০ টাকা ও মুলা ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে, ফুলকপি প্রতিটি ৬০-৭০ টাকা, বাঁধাকপি ৬০ টাকা এবং লাউ ৬০–৮০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

রাজধানীর বাজারগুলোতে কাঁচামরিচের দাম কেজিতে ১৬০ থেকে ২০০ টাকায় উঠেছে। পাশাপাশি পেঁপে ও মিষ্টি কুমড়া ৫০ টাকা, দেশি শসা ১২০ টাকা এবং হাইব্রিড শসা ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ৩০ টাকায়। এছাড়া দেশি ধনেপাতা ৩০০ টাকা, হাইব্রিড ধনেপাতা ২২০ টাকা, কাঁচা কলা প্রতি হালি ৪০ টাকা, চাল কুমড়া ৬০ থেকে ৮০ টাকা এবং ক্যাপসিকাম ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

অন্যদিকে, গত সপ্তাহের তুলনায় সব ধরনের মুরগির দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে। বর্তমানে সোনালি কক মুরগি ১০ টাকা বেড়ে কেজি ৩৪০ টাকা, সোনালি হাইব্রিড ৩১০ টাকা, লাল লেয়ার ৩৫০ টাকা, ব্রয়লার ১৮০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৭৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সব ধরনের শাকের দাম বেড়েছে। লাল শাক আঁটিতে ১০ টাকা বেড়ে ২৫ টাকা, লাউ শাক আঁটি ৫০ টাকা, কলমি শাক ২ আঁটি ৪০ টাকা, পুঁই শাক ৪০ টাকা ও ডাটা শাক দুই আঁটি ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

আলু কেজিপ্রতি ২৫ থেকে ৩০ টাকা এবং দেশি পেঁয়াজ ৫ টাকা বেড়ে ৪৫ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাংসের বাজারে গরুর মাংসের কেজি ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা এবং খাসির মাংস ১ হাজার ৩০০ টাকা। অন্যদিকে, ইলিশের বাজারেও উচ্চমূল্য বজায় রয়েছে। ৩০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ প্রতি কেজি ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা এবং ৫০০ থেকে ৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

বাজারগুলোতে এক কেজি শিং মাছ চাষের (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৬০০ টাকা, দেশি শিং ১২০০ থেকে ১৪০০ টাকা, প্রতিকেজি রুই মাছের দাম বেড়ে (আকারভেদে) ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, দেশি মাগুর ৯০০ থেকে ১২০০ টাকা, মৃগেল ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, চাষের পাঙ্গাস ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, চিংড়ি ৮০০ থেকে ১৪০০ টাকা, বোয়াল ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, বড় কাতল ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, পোয়া ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, পাবদা ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০ টাকা, কই ২০০ থেকে ২২০ টাকা, মলা ৫০০ টাকা, বাতাসি টেংরা ১৪০০ টাকা, টেংরা ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা, কাচকি ৪০০ টাকা ও পাঁচ মিশালি মাছ ২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে এক ডজন মুরগির লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা, হাঁসের ডিম এক ডজন ১৮০ টাকা, দেশি মুরগির ডিমের হালি ১০০ টাকা এবং সোনালি কক মুরগির ডিমের হালি ৭০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।