শিশুর সুস্থতায় ইমিউনিটি বাড়ানোর কার্যকর উপায়
শিশুকে সুস্থ রাখতে তার রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বা ইমিউনিটি শক্তিশালী রাখা জরুরি। তবে ইমিউনিটি বাড়ানোর কোনো একক দাওয়াই নেই। জন্মের পর মায়ের দুধ, সময়মতো টিকা, পর্যাপ্ত ঘুম, পুষ্টিকর খাবার, নিয়মিত খেলাধুলা ও পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস শিশুর রোগ প্রতিরোধক্ষমতা স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
জন্মের পর যত দ্রুত সম্ভব মায়ের দুধ শুরু করা ও প্রথম ছয় মাস শুধু মায়ের দুধ খাওয়ানো শিশুকে নানা সংক্রমণ থেকে সুরক্ষা দেয়। মায়ের দুধে পুষ্টি উপাদানের পাশাপাশি রোগপ্রতিরোধী উপাদান থাকে।
টিকার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জাতীয় টিকাদান কর্মসূচি অনুযায়ী সব টিকা সময়মতো দেওয়া এবং কোনো টিকা বাদ পড়লে দ্রুত স্বাস্থ্যকর্মী বা চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
ঘুম শুধু শিশুর বৃদ্ধি ও মস্তিষ্কের বিকাশের জন্য নয়, রোগ প্রতিরোধব্যবস্থার স্বাভাবিক কার্যক্রমের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।
বয়স অনুযায়ী নিয়মিত খেলাধুলা ও শারীরিক কার্যক্রম শিশুর সামগ্রিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে।
সাবানপানি দিয়ে সঠিকভাবে হাত ধোয়া সংক্রমণ প্রতিরোধের সহজ ও কার্যকর উপায়।
শিশুর সামনে বা ঘরের ভেতরে ধূমপান করা উচিত নয়। পরোক্ষ ধূমপান শিশুর শ্বাসতন্ত্রের ক্ষতি করতে পারে এবং শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
সামান্য জ্বর বা রোগে নিজের সিদ্ধান্তে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া উচিত নয়। অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে জীবাণুর ওষুধ–প্রতিরোধী হয়ে ওঠার ঝুঁকি থাকে।


























