Dhaka ১১:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জন্মভূমি ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামবে হালান্ড

স্পোর্টস ডেস্ক
8 / 100 SEO Score

 

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আর্লিং হালান্ডের সামনে অপেক্ষা করছে আবেগঘন এক লড়াই। ইংল্যান্ডে জন্ম নেওয়া এই নরওয়েজিয়ান তারকা বর্তমানে খেলছেন ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে। এবার শেষ আটে নিজের জন্মভূমি ইংল্যান্ডের বিপক্ষেই মাঠে নামবে তার দেশ নরওয়ে। তাই ম্যাচটিকে ‘বিশেষ’ বলে উল্লেখ করেছেন হালান্ড।

মিয়ামিতে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে হালান্ড বলেন, ‘এটি অবশ্যই খুব বিশেষ একটি ম্যাচ। আমি ইংল্যান্ডে খেলি, ইংল্যান্ডেই আমার জন্ম। সেখানে আমার অনেক সতীর্থও আছে। তাই ম্যাচটি ভিন্ন রকমের অনুভূতি দেবে। এটি উপভোগ্য হবে।’

ইংল্যান্ডেই জন্ম হয়েছিল আর্লিং হালান্ডের। তখন তার বাবা আলফ-ইঙ্গে হালান্ড ছিলেন লিডস ইউনাইটেডের ফুটবলার। প্রিমিয়ার লিগে ইংলিশ ফুটবলে নিজের নাম প্রতিষ্ঠা করেছেন হালান্ড। গত চার মৌসুমে ম্যানচেস্টার সিটির জার্সিতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে তিনি প্রিমিয়ার লিগের অন্যতম বড় তারকায় পরিণত হয়েছেন।

২৮ বছর পর বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরে ইতিহাস গড়ার পথে এগিয়ে চলছে নরওয়ে। আর সেই যাত্রার নায়ক আর্লিং হালান্ড। নিজের প্রথম বড় আন্তর্জাতিক আসরে চার ম্যাচে সাত গোল করে দলকে শেষ আটে তুলেছেন এই স্ট্রাইকার। ব্রাজিলের বিপক্ষে শেষ ষোলোর লড়াইয়ে জোড়া গোল করে জয়ের নায়কও ছিলেন তিনি।

তবে এমন সাফল্য যে নিজেও কল্পনা করেননি, সেটি স্বীকার করেছেন ২৫ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড, ‘সত্যি বলতে আমি এমনটা আশা করিনি। নরওয়েকে নিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা আমার কাছেও বিস্ময়কর। ব্রাজিলকে হারিয়ে এখন বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলতে নামা আমাদের জন্য দারুণ এক অভিজ্ঞতা।’

তিনি আরও বলেন, ‘নরওয়েতে মানুষ যেভাবে উদযাপন করছে, তা দেখলে বুঝবেন, এটি আমাদের জন্য একেবারেই স্বাভাবিক ঘটনা নয়। তাই সবকিছুই খুব বিশেষ মনে হচ্ছে।’

অন্যদিকে ইংল্যান্ড টানা তৃতীয় বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠলেও ৬০ বছর ধরে কোনো বড় শিরোপা জিততে পারেনি। সেই চাপ ইংল্যান্ডের কাঁধেই তুলে দিতে চান হালান্ড, ‘ইংল্যান্ড অবশ্যই শিরোপার অন্যতম দাবিদার। তাই আমি বলব, যতটা সম্ভব চাপ ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়দের ওপরই দিন।’

 

Recent Comments

No comments to show.

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জন্মভূমি ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামবে হালান্ড

Update Time : ০৬:৫৬:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
8 / 100 SEO Score

 

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে আর্লিং হালান্ডের সামনে অপেক্ষা করছে আবেগঘন এক লড়াই। ইংল্যান্ডে জন্ম নেওয়া এই নরওয়েজিয়ান তারকা বর্তমানে খেলছেন ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে। এবার শেষ আটে নিজের জন্মভূমি ইংল্যান্ডের বিপক্ষেই মাঠে নামবে তার দেশ নরওয়ে। তাই ম্যাচটিকে ‘বিশেষ’ বলে উল্লেখ করেছেন হালান্ড।

মিয়ামিতে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে হালান্ড বলেন, ‘এটি অবশ্যই খুব বিশেষ একটি ম্যাচ। আমি ইংল্যান্ডে খেলি, ইংল্যান্ডেই আমার জন্ম। সেখানে আমার অনেক সতীর্থও আছে। তাই ম্যাচটি ভিন্ন রকমের অনুভূতি দেবে। এটি উপভোগ্য হবে।’

ইংল্যান্ডেই জন্ম হয়েছিল আর্লিং হালান্ডের। তখন তার বাবা আলফ-ইঙ্গে হালান্ড ছিলেন লিডস ইউনাইটেডের ফুটবলার। প্রিমিয়ার লিগে ইংলিশ ফুটবলে নিজের নাম প্রতিষ্ঠা করেছেন হালান্ড। গত চার মৌসুমে ম্যানচেস্টার সিটির জার্সিতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে তিনি প্রিমিয়ার লিগের অন্যতম বড় তারকায় পরিণত হয়েছেন।

২৮ বছর পর বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরে ইতিহাস গড়ার পথে এগিয়ে চলছে নরওয়ে। আর সেই যাত্রার নায়ক আর্লিং হালান্ড। নিজের প্রথম বড় আন্তর্জাতিক আসরে চার ম্যাচে সাত গোল করে দলকে শেষ আটে তুলেছেন এই স্ট্রাইকার। ব্রাজিলের বিপক্ষে শেষ ষোলোর লড়াইয়ে জোড়া গোল করে জয়ের নায়কও ছিলেন তিনি।

তবে এমন সাফল্য যে নিজেও কল্পনা করেননি, সেটি স্বীকার করেছেন ২৫ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড, ‘সত্যি বলতে আমি এমনটা আশা করিনি। নরওয়েকে নিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা আমার কাছেও বিস্ময়কর। ব্রাজিলকে হারিয়ে এখন বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলতে নামা আমাদের জন্য দারুণ এক অভিজ্ঞতা।’

তিনি আরও বলেন, ‘নরওয়েতে মানুষ যেভাবে উদযাপন করছে, তা দেখলে বুঝবেন, এটি আমাদের জন্য একেবারেই স্বাভাবিক ঘটনা নয়। তাই সবকিছুই খুব বিশেষ মনে হচ্ছে।’

অন্যদিকে ইংল্যান্ড টানা তৃতীয় বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠলেও ৬০ বছর ধরে কোনো বড় শিরোপা জিততে পারেনি। সেই চাপ ইংল্যান্ডের কাঁধেই তুলে দিতে চান হালান্ড, ‘ইংল্যান্ড অবশ্যই শিরোপার অন্যতম দাবিদার। তাই আমি বলব, যতটা সম্ভব চাপ ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়দের ওপরই দিন।’