পোশাকশিল্পে অস্থিরতা নিয়ে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত রিজভীর
দেশের পোশাকশিল্পে সাম্প্রতিক অস্থিরতা ও সহিংসতার ঘটনাগুলোর পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকতে পারে বলে মনে করছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি আদায়ের আন্দোলনের সঙ্গে কারখানা ভাঙচুর, গাড়িতে আগুন দেওয়া কিংবা পুলিশবক্সে অগ্নিসংযোগের ঘটনাকে এক করে দেখার সুযোগ নেই
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পোশাকশিল্পের সাম্প্রতিক অস্থিরতা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
রিজভী বলেন, শ্রমিকদের সংকট নিরসনে সরকার আন্তরিকভাবে চেষ্টা করেছে। সংকটের সমাধানও হয়েছে। শ্রমিক নেতারাও বলেছেন, পরিস্থিতি মোকাবিলা করা হচ্ছে। এরপরও যেসব ঘটনা ঘটছে, সেগুলোকে রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সম্প্রতি পোশাকশিল্পে সম্ভাব্য অস্থিরতা নিয়ে যে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোতে তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে কি না—এমন প্রশ্নে রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিভিন্ন সূত্রে আরও বেশি তথ্য পৌঁছায়। তার আশঙ্কার কিছু প্রতিফলন সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোতে দেখা যাচ্ছে।
তিনি বলেন, শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি আদায়ের আন্দোলন এক বিষয়। কিন্তু কারখানা ভাঙচুর, গাড়িতে আগুন দেওয়া এবং পুলিশবক্সে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়ার ঘটনা সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়। এসব কারা করছে, তা সবার কাছে স্পষ্ট।
বিরোধী দলগুলোর উদ্দেশে রিজভী বলেন, আগুনে ঘি ঢেলে উত্তেজনা সৃষ্টি করে ধোঁয়াশার মধ্যে রাজনৈতিক ফায়দা নেওয়ার চেষ্টা করা উচিত নয়। এ ধরনের উসকানিতে পরিস্থিতি আরও ছড়িয়ে পড়তে পারে। এর আঁচ সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলগুলোর গায়েও লাগতে পারে।
তিনি আরও বলেন, এসব ঘটনা ফ্যাসিবাদের সঙ্গে গুপ্ত রাজনীতির সম্পর্কের বিষয়টি আবারও সামনে এনেছে। সরকার দৃঢ়তার সঙ্গে বিশৃঙ্খলা ও অরাজকতা প্রতিহত করতে প্রস্তুত। এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের যথেষ্ট সক্ষমতা রয়েছে। জনগণও যেকোনো অরাজকতা প্রতিহত করতে প্রস্তুত।


















