প্রথমবার একসঙ্গে নিশো-চঞ্চল, সিনেমা ‘খলনায়ক’
ঢালিউডের দুই শক্তিশালী অভিনেতা আফরান নিশো ও চঞ্চল চৌধুরীকে এবার প্রথমবারের মতো দেখা যাবে একই সিনেমায়। ‘খলনায়ক’ শিরোনামের এই সাইকোলজিক্যাল থ্রিলারের মধ্য দিয়ে বড় পর্দায় একসঙ্গে হাজির হচ্ছেন তারা। এসভিএফ আলফা-আই এন্টারটেইনমেন্ট ও হইচই স্টুডিওজের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত সিনেমাটি পরিচালনা করছেন ভিকি জাহেদ।
‘খলনায়ক’ সিনেমার মাধ্যমে তিনি প্রথমবারের মতো কোলাবরেশন করতে যাচ্ছে এসভিএফ আলফা আই এন্টারটেইনমেন্ট ও হইচই স্টুডিওজ। খুব শিগগির এ সিনেমার আনুষ্ঠানিক মুক্তির তারিখ, বিস্তারিত তথ্য এবং কনটেন্ট প্রকাশ করা হবে।
এ সিনেমার মূল দুটি চরিত্রে অভিনয় করছেন দেশের অন্যতম দুই জনপ্রিয় অভিনেতা আফরান নিশো ও চঞ্চল চৌধুরী। তাদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় নারী চরিত্রে দেখা যাবে অভিনেত্রী তমা মির্জাকে। আরও অভিনয় করেছেন বর্ষীয়ান অভিনেতা শহীদুজ্জামান সেলিম, ফজলুর রহমান বাবু, ইন্তেখাব দিনার, সুমন আনোয়ার, গাজী রাকায়েত, বিজরী বরকতুল্লাহ, সোহেল মন্ডল, সুমন আনোয়ার, তুষার খান, সেন্টু প্রমুখ। এ ছাড়া বিশেষ একটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেত্রী প্রিয়াংকা সরকার।
‘খলনায়ক’ সিনেমা প্রসঙ্গে অভিনেতা আফরান নিশো বলেন, ভিকি জাহেদের নির্মাণ, গল্প বলার ধরন অন্যদের থেকে ভিন্ন, ‘খলনায়ক’ সিনেমার চিত্রনাট্য শোনার পরেই মনে হয়েছে— এটি দারুণ মনস্তাত্ত্বিক ক্যানভাস। দেশের অন্যতম শীর্ষ ও প্রভাবশালী অভিনেতা অভিনেত্রীদের সঙ্গে অভিনয় করাটা সবসময়ই আনন্দের ও নতুন চ্যালেঞ্জের। আশা করি দর্শকরা নতুন এক অভিজ্ঞতা পাবেন।
অন্যদিকে চঞ্চল চৌধুরী বলেন, ভিকি জাহেদের কাজে সবসময়ই নতুনত্ব ও ভিন্ন ধাঁচ গল্প থাকে। ‘খলনায়ক’ সিনেমার চরিত্রটি বেশ জটিল ও মনস্তাত্ত্বিক, যা একজন অভিনেতা হিসেবে আমাকে দারুণভাবে আকৃষ্ট করেছে। নিশোর সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতাও সবসময় উপভোগ্য। আশা করি, বড়পর্দায় এ সিনেমাটি দর্শকদের একদম ভিন্ন রকমের একটি অভিজ্ঞতা দেবে।
‘খলনায়ক’ সিনেমা প্রসঙ্গে নির্মাতা ভিকি জাহেদ বলেন ‘খলনায়ক’ শুধু একটি গল্প নয়, এটি মানব চরিত্রের গভীর জটিলতা ও রহস্যময়তার এক নতুন চিত্রায়ন। চিত্রনাট্য, কাস্টিং থেকে শুরু করে নির্মাণশৈলী— প্রতিটি ক্ষেত্রেই দর্শক বৈচিত্র্য ও ভিন্নতা দেখতে পাবেন। তিনি বলেন, ‘নিশো ভাই ও চঞ্চল ভাইয়ের মতো শক্তিশালী অভিনেতাদের একসঙ্গে পরিচালনা করাটা যেমন রোমাঞ্চকর ও চ্যালেঞ্জিং, ঠিক তেমনই আনন্দের।’
এসভিএফ আলফা-আই এন্টারটেইনমেন্ট লিমিটেডের চেয়ারম্যান মহেন্দ্র সোনি বলেন, বাংলাদেশি সিনেমাকে আন্তর্জাতিক পরিসরে পৌঁছে দেওয়ার যে লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করছি, ‘খলনায়ক’ সেই অগ্রযাত্রারই একটি বড় মাইলফলক। একঝাঁক অসাধারণ তারকা ও দক্ষ টেকনিক্যাল টিমের সমন্বয়ে নির্মিত এ সিনেমাটি দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্বব্যাপী বাংলা ভাষাভাষী দর্শকদের মন জয় করবে বলে আমি আশাবাদী।
এসভিএফ আলফা-আই এন্টারটেইনমেন্ট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহরিয়ার শাকিল বলেন, শুরু থেকেই আমরা কনটেন্টের গুণগত মান এবং দর্শক চাহিদাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে আসছি। ‘খলনায়ক’ সিনেমার মাধ্যমে বাংলা ভাষার সিনেমাপ্রেমীদের আমরা বিশ্বমানের একটি সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার থিয়েট্রিক্যাল এক্সপেরিয়েন্স উপহার দিতে চাই।

























