Dhaka ০৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সময়ানুবর্তিতায় বদলেছে রাজশাহী নগর ভবন

নিজস্ব প্রতিবেদক
12 / 100 SEO Score

দাপ্তরিক শৃঙ্খলা, প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ ও পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করতে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন-এ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সময়মতো অফিসে উপস্থিতির ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। এর ফলে প্রতিদিন সকাল ৯টার মধ্যেই নগর ভবনে শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়ায় পুরো দাপ্তরিক পরিবেশ এখন কর্মচঞ্চল ও প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতির কারণে নাগরিক সেবা কার্যক্রম আরও গতিশীল হয়েছে। একই সঙ্গে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও চলমান প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজেও এসেছে গতি। সেবা নিতে আসা সাধারণ নাগরিকরাও আগের তুলনায় দ্রুত ও সহজে বিভিন্ন সেবা পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

নগর ভবনের কর্মকর্তারা জানান, মাহফুজুর রহমান রিটন প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই অফিস ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্বের নতুন ধারা তৈরি হয়েছে। তিনি নিজেও প্রতিদিন সকাল ৯টার আগেই অফিসে উপস্থিত হন এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে বিভিন্ন প্রশাসনিক ও সেবামূলক বিষয় নিয়ে দিকনির্দেশনামূলক আলোচনা করেন।

এর ফলে দেরিতে অফিসে প্রবেশ কিংবা সময়ের পরে উপস্থিত হওয়ার প্রবণতা অনেকটাই বন্ধ হয়ে গেছে। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে দায়িত্ববোধ ও কর্মস্পৃহা বেড়েছে বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নগর ভবনের বিভিন্ন বিভাগে ঘুরে দেখা যায়, সকাল থেকেই কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিজ নিজ দায়িত্ব পালনে ব্যস্ত সময় পার করছেন। নাগরিকদের অভিযোগ গ্রহণ, সনদ প্রদান, কর সংক্রান্ত সেবা, পরিচ্ছন্নতা ও উন্নয়ন প্রকল্পের তদারকিসহ বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়মিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে। এতে সাধারণ সেবাগ্রহীতাদের ভোগান্তিও কমেছে।

এ বিষয়ে প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজেই সকাল ৯টার মধ্যে অফিসে বসেন এবং জনগণের দোরগোড়ায় সেবামূলক কার্যক্রম পৌঁছে দিতে চান। তাই আমাদেরও উচিত তাঁর সেই আগ্রহ ও নির্দেশনার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে দায়িত্ব পালন করা।”

তিনি আরও বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন করতে হলে সরকারি প্রতিষ্ঠানে শৃঙ্খলা, সময়ানুবর্তিতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি। সেই লক্ষ্যেই রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনে একটি গণমুখী ও সেবাবান্ধব প্রশাসনিক পরিবেশ গড়ে তোলার চেষ্টা চলছে।

সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সময়ানুবর্তিতা ও সমন্বিত প্রচেষ্টার ফলে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের সেবার মান আরও উন্নত হবে এবং নগরবাসী দ্রুত ও কার্যকর নাগরিক সেবা পাবেন।

Recent Comments

No comments to show.

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সময়ানুবর্তিতায় বদলেছে রাজশাহী নগর ভবন

Update Time : ০৩:৫৮:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
12 / 100 SEO Score

দাপ্তরিক শৃঙ্খলা, প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ ও পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করতে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন-এ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সময়মতো অফিসে উপস্থিতির ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। এর ফলে প্রতিদিন সকাল ৯টার মধ্যেই নগর ভবনে শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়ায় পুরো দাপ্তরিক পরিবেশ এখন কর্মচঞ্চল ও প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতির কারণে নাগরিক সেবা কার্যক্রম আরও গতিশীল হয়েছে। একই সঙ্গে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও চলমান প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজেও এসেছে গতি। সেবা নিতে আসা সাধারণ নাগরিকরাও আগের তুলনায় দ্রুত ও সহজে বিভিন্ন সেবা পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

নগর ভবনের কর্মকর্তারা জানান, মাহফুজুর রহমান রিটন প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই অফিস ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্বের নতুন ধারা তৈরি হয়েছে। তিনি নিজেও প্রতিদিন সকাল ৯টার আগেই অফিসে উপস্থিত হন এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে বিভিন্ন প্রশাসনিক ও সেবামূলক বিষয় নিয়ে দিকনির্দেশনামূলক আলোচনা করেন।

এর ফলে দেরিতে অফিসে প্রবেশ কিংবা সময়ের পরে উপস্থিত হওয়ার প্রবণতা অনেকটাই বন্ধ হয়ে গেছে। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে দায়িত্ববোধ ও কর্মস্পৃহা বেড়েছে বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নগর ভবনের বিভিন্ন বিভাগে ঘুরে দেখা যায়, সকাল থেকেই কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিজ নিজ দায়িত্ব পালনে ব্যস্ত সময় পার করছেন। নাগরিকদের অভিযোগ গ্রহণ, সনদ প্রদান, কর সংক্রান্ত সেবা, পরিচ্ছন্নতা ও উন্নয়ন প্রকল্পের তদারকিসহ বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়মিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে। এতে সাধারণ সেবাগ্রহীতাদের ভোগান্তিও কমেছে।

এ বিষয়ে প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজেই সকাল ৯টার মধ্যে অফিসে বসেন এবং জনগণের দোরগোড়ায় সেবামূলক কার্যক্রম পৌঁছে দিতে চান। তাই আমাদেরও উচিত তাঁর সেই আগ্রহ ও নির্দেশনার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে দায়িত্ব পালন করা।”

তিনি আরও বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন করতে হলে সরকারি প্রতিষ্ঠানে শৃঙ্খলা, সময়ানুবর্তিতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি। সেই লক্ষ্যেই রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনে একটি গণমুখী ও সেবাবান্ধব প্রশাসনিক পরিবেশ গড়ে তোলার চেষ্টা চলছে।

সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সময়ানুবর্তিতা ও সমন্বিত প্রচেষ্টার ফলে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের সেবার মান আরও উন্নত হবে এবং নগরবাসী দ্রুত ও কার্যকর নাগরিক সেবা পাবেন।