Dhaka ০৭:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
২০৩০ লক্ষ্য নিয়ে রেলের রোডম্যাপ দাউদকান্দিতে চালবোঝাই ট্রাক উল্টে নিহত ৭ শেষ হলো বৈশাখী শোভাযাত্রা, ‘ফ্রি প্যালেস্টাইন’ প্ল্যাকার্ডে ভিন্ন বার্তা মার্কিন নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে হরমুজ পার করলো চীনা জাহাজ শুরু বৈশাখী শোভাযাত্রা, চারুকলা থেকে বর্ণিল আয়োজনে মানুষের ঢল ইরানি নারী ফুটবল দলের অধিনায়কের বাজেয়াপ্ত সম্পদ ফেরত দিচ্ছে সরকার আজও সাতসকালে ‘অস্বাস্থ্যকর’ ঢাকার বাতাস রমনার বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ: ‘জাগো আলোক-লগ্নে’ গানে নববর্ষের সূচনা টাঙ্গাইলে আজ ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী বৈশাখী শোভাযাত্রা ঘিরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কড়া নিরাপত্তা

সম্পদের হিসাব দিলেন প্রেস সচিব, দেড় বছরে বাড়েনি কিছুই

12 / 100 SEO Score

দায়িত্ব ছাড়ার প্রাক্কালে নিজের সম্পদ ও আর্থিক অবস্থার হিসাব প্রকাশ করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি জানিয়েছেন, দায়িত্ব নেওয়ার সময় যে সম্পদের ঘোষণা দিয়েছিলেন, দায়িত্ব ছাড়ার দিনেও তাতে কোনো পরিবর্তন হয়নি। কোনো সম্পদ বাড়েনি।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।

শফিকুল আলম জানান, গত বছরের জানুয়ারিতে তিনি তার সম্পদ ও আয় সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ঘোষণা দিয়েছিলেন। সেই ঘোষণায় তিনি উল্লেখ করেছিলেন, ঢাকার শাহীনবাগে তার একটি ফ্ল্যাট রয়েছে এবং পিতার কাছ থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া দনিয়ায় আরও একটি ফ্ল্যাট আছে। এছাড়া, ময়মনসিংহে তার নামে একটি এবং তার স্ত্রীর নামে একটি অ্যাপার্টমেন্ট রয়েছে। গ্রামের বাড়ি মাগুরায় তার মালিকানায় রয়েছে ৪০ শতাংশ কৃষিজমি।

তিনি বলেন, আজ দায়িত্ব ছাড়ার সময়ও আমার সম্পত্তির অবস্থান একই আছে। আমি তিনটি ফ্ল্যাটের মালিক, আমার স্ত্রী একটি ফ্ল্যাটের মালিক, এবং কৃষিজমির মালিকানাতেও কোনো পরিবর্তন হয়নি।

ব্যাংক হিসাব সম্পর্কে তিনি জানান, তার নামে একটি মাত্র ব্যাংক হিসাব রয়েছে, যা একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে। দায়িত্ব নেওয়ার সময় ওই হিসাবে জমা ছিল ১ কোটি ১৪ লাখ টাকা। বর্তমানে সেই হিসাবের স্থিতি ১ কোটি ২৩ লাখ টাকা।

এই বাড়তি ৯ লাখ টাকার বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়ে শফিকুল আলম বলেন, এর মধ্যে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা এসেছে তার শ্যালকের কাছ থেকে, যিনি আগে তার কাছ থেকে ধার নিয়েছিলেন এবং পরে তা ফেরত দিয়েছেন। এছাড়া তার বড় ভাই ২ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার পাঠিয়েছেন, যা রমজান মাসে দরিদ্র গ্রামবাসীদের মধ্যে বিতরণের জন্য দেওয়া হয়েছিল।

এই অর্থের সব উৎস স্পষ্ট এবং যাচাইযোগ্য জানিয়ে শফিকুল আলম বলেন, “আমার আর্থিক লেনদেন ও সম্পদের বিষয়ে কেউ অনুসন্ধান করতে চাইলে আমি স্বাগত জানাই।”

শেষে তিনি রসিকতার ছলে বলেন, তার সেই ‘নকল বারবারি মাফলার’টিও এখনও তার কাছেই আছে।

 

Tag :

Please Share This Post in Your Social Media

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সম্পদের হিসাব দিলেন প্রেস সচিব, দেড় বছরে বাড়েনি কিছুই

Update Time : ১১:৩৮:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
12 / 100 SEO Score

দায়িত্ব ছাড়ার প্রাক্কালে নিজের সম্পদ ও আর্থিক অবস্থার হিসাব প্রকাশ করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি জানিয়েছেন, দায়িত্ব নেওয়ার সময় যে সম্পদের ঘোষণা দিয়েছিলেন, দায়িত্ব ছাড়ার দিনেও তাতে কোনো পরিবর্তন হয়নি। কোনো সম্পদ বাড়েনি।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।

শফিকুল আলম জানান, গত বছরের জানুয়ারিতে তিনি তার সম্পদ ও আয় সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ঘোষণা দিয়েছিলেন। সেই ঘোষণায় তিনি উল্লেখ করেছিলেন, ঢাকার শাহীনবাগে তার একটি ফ্ল্যাট রয়েছে এবং পিতার কাছ থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া দনিয়ায় আরও একটি ফ্ল্যাট আছে। এছাড়া, ময়মনসিংহে তার নামে একটি এবং তার স্ত্রীর নামে একটি অ্যাপার্টমেন্ট রয়েছে। গ্রামের বাড়ি মাগুরায় তার মালিকানায় রয়েছে ৪০ শতাংশ কৃষিজমি।

তিনি বলেন, আজ দায়িত্ব ছাড়ার সময়ও আমার সম্পত্তির অবস্থান একই আছে। আমি তিনটি ফ্ল্যাটের মালিক, আমার স্ত্রী একটি ফ্ল্যাটের মালিক, এবং কৃষিজমির মালিকানাতেও কোনো পরিবর্তন হয়নি।

ব্যাংক হিসাব সম্পর্কে তিনি জানান, তার নামে একটি মাত্র ব্যাংক হিসাব রয়েছে, যা একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে। দায়িত্ব নেওয়ার সময় ওই হিসাবে জমা ছিল ১ কোটি ১৪ লাখ টাকা। বর্তমানে সেই হিসাবের স্থিতি ১ কোটি ২৩ লাখ টাকা।

এই বাড়তি ৯ লাখ টাকার বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়ে শফিকুল আলম বলেন, এর মধ্যে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা এসেছে তার শ্যালকের কাছ থেকে, যিনি আগে তার কাছ থেকে ধার নিয়েছিলেন এবং পরে তা ফেরত দিয়েছেন। এছাড়া তার বড় ভাই ২ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার পাঠিয়েছেন, যা রমজান মাসে দরিদ্র গ্রামবাসীদের মধ্যে বিতরণের জন্য দেওয়া হয়েছিল।

এই অর্থের সব উৎস স্পষ্ট এবং যাচাইযোগ্য জানিয়ে শফিকুল আলম বলেন, “আমার আর্থিক লেনদেন ও সম্পদের বিষয়ে কেউ অনুসন্ধান করতে চাইলে আমি স্বাগত জানাই।”

শেষে তিনি রসিকতার ছলে বলেন, তার সেই ‘নকল বারবারি মাফলার’টিও এখনও তার কাছেই আছে।